Sujan Chakrabarty

নির্বাচনেই প্রমাণ হবে বামপন্থীরা কেবল প্রাসঙ্গিক নয়, নির্ণায়কও: চক্রবর্তী

রাজ্য বাংলা বাঁচানোর ভোট

বামপন্থীরা কেবল প্রাসঙ্গিক নয়, নির্ণায়কও। এবারের বিধানসভা নির্বাচনেই তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।
সোমবার সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে একথা বলেছেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী।
তিনি বলেন, প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছে। এখন দ্বিতীয় দফার ভোট। ভোটের আগে তৃণমূল এবং বিজেপি হুমকি দেয় প্রতিবারই। পশ্চিমবঙ্গে যেমন তৃণমূল সন্ত্রাস করে ত্রিপুরায় সেভাবেই গণতন্ত্র হরণ করে বিজেপি। এরা কেউ-ই একে অন্যের বিকল্প নয়।


চক্রবর্তী বলেন, আমরা যেমন নির্ণায়ক শক্তি হব, তেমন আমরা গণতন্ত্রকে সম্প্রসারিত করব। এই প্রসঙ্গে ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্টের জয়ের প্রসঙ্গ করেন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, সে সময় জ্যোতি বসু প্রমোদ দাশগুপ্ত ঘোষণা করেছিলেন যে বিরোধীরা আক্রান্ত হবেন না। তাঁদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে না। 
চক্রবর্তী মনে করিয়েছেন যে বামফ্রন্ট সরকারের মেয়াদে গণতন্ত্রকে সম্প্রদারিত করা হয়েছিল পঞ্চায়েত, পৌরসভায়। সেই গণতন্ত্র কেড়ে নেওয়া হয়েছে তৃণমূলের শাসনে। তার বিরুদ্ধে লড়াই বামপন্থীদের।
তিনি বলেন, সমাজে বরাবরই দান বা দয়া ছিল। বরাবরই সরকারি ভাতা থেকেছে। কিন্তু বামপন্থীরা কেবল ভাতার কথাই বলেনি। তার সঙ্গে মানুষের অধিকারের লড়াইকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। পশ্চিমবঙ্গে যখন কাজ, শিক্ষা, গণতন্ত্রের অধিকার আক্রান্ত তখনই বামপন্থীদের পতাকার নিচে শামিল হয়ে লড়াইয়ে এগিয়ে এসেছে নতুন প্রজন্ম। তাঁদের লড়াইয়ে শামিল হচ্ছেন গোটা বাংলার মানুষ। বাংলার ভবিষ্যতকে রক্ষার জন্য বামপন্থীদের জয়যুক্ত করবেন তাঁরা।   
তিনি বলেন, এই নির্বাচন বাংলাকে বাঁচানোর লড়াই। বাংলার শিল্প, কাজ, শিক্ষা বাঁচানোর লড়াই। সে কাজ বামপন্থীরাই করবে। বিজেপি এবং তৃণমূল এরা একজন অপরজনের বিকল্প নয়। 
তিনি বলেন, যারা মনে করেছিল বামপন্থীদের বাদ দিয়ে এরাজ্যের রাজনীতি সম্ভব তারা পরিষ্কার বুঝছে তা সম্ভব নয়। বামপন্থীরা কেবল প্রাসঙ্গিক নয়, বামপন্থীরা এ রাজ্যের রাজনীতিতে নির্ণায়কও বটে। এই নির্বাচন সেকথা প্রমাণ করতে চলেছে।

Comments :0

Login to leave a comment