Post Editorial

কোথায় লক্ষ লক্ষ অনুপ্রবেশকারী

সম্পাদকীয় বিভাগ

সামিম আহমেদ
 

ভারতীয় সংবিধানের ৫ থেকে ১১ নং অনুচ্ছেদে ভারতীয় নাগরিকত্বের বিধান নির্ধারিত হয়েছে। সেই বিধান কী বলছে? ১৯৫০-এর ২৬ জানুয়ারি, সংবিধান কার্যকর হওয়ার সময় যাঁরা ভারতে বসবাস করতেন, যাঁরা তার আগে ভারতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যাঁদের বাবা কিংবা মা ভারতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং যাঁরা নির্দিষ্ট সময় ধরে ভারতে বসবাস করেছিলেন, তাঁরা ভারতীয় নাগরিক হিসাবে স্বীকৃত হন। এছাড়া পাকিস্তান থেকে ভারতে আগত নির্দিষ্ট শ্রেণির অভিবাসীরাও শর্তসাপেক্ষে ভারতীয় নাগরিকত্ব লাভ করেন। সংবিধান সংসদকে নাগরিকত্ব সম্পর্কিত আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দিয়েছে। বর্তমানে ভারতীয় নাগরিকত্ব মূলত নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫ এবং সময়ে সময়ে তার সংশোধনীগুলির ভিত্তিতে নিয়ন্ত্রিত হয়। আইনে আরও বলা হয়েছে যে, যাঁরা আইনানুগভাবে ভারতীয় নাগরিকত্ব লাভ করেছেন এবং যাঁদের নাগরিকত্ব পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী বাতিল, পরিত্যাগ বা কেড়ে নেওয়া হয়নি, তাঁরা ভারতীয় নাগরিক হিসাবে গণ্য হবেন। 
নাগরিকত্ব এই আইন অনুসারে নির্ধারিত হয়। নির্বাচন কমিশন কারও নাগরিকত্ব নির্ধারণ করার অধিকারী নয়। গণপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ১৬ এবং ১৯ ধারা যৌথভাবে দেখলে বোঝা যায়, যে ব্যক্তি ভারতের নাগরিক, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সাধারণ বাসিন্দা (ordinarily resident) এবং অন্তত ১৮ বছর বয়স হয়েছে, তিনি ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির অধিকারী। অতএব নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক এবং আইনগত দায়িত্ব হলো যোগ্য প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং অযোগ্য ব্যক্তিদের নাম বাদ দেওয়া। একটি সঠিক, নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি এবং প্রত্যেক যোগ্য নাগরিকের ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা করাই নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালে বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া হয়। কমিশন প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী সেই সময় ভোটার তালিকায় ৭,৬৬,৩৭,৫২৯ জন ভোটদাতার নাম ছিল। সংশোধন প্রক্রিয়ার সময় প্রায় ৫৮,২০,৮৯৯টি গণনা ফর্ম জমা পড়েনি বলে নির্বাচন কমিশন জানায়। কমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই ৫৮লক্ষের বেশি নাম মূলত মৃত, অনুপস্থিত ভোটার, স্থায়ীভাবে অন্যত্র স্থানান্তরিত ব্যক্তি, পূর্বেই অন্যত্র নিবন্ধিত ভোটার এবং অন্যান্য শ্রেণির ব্যক্তিদের। পরবর্তীতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময় প্রায় ৬০.০৬ লক্ষ নাম বিচারাধীন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাদের বিষয়ে ভবিষ্যতে পৃথকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। এর ফলে রাজ্যের ভোটার সংখ্যা হ্রাস পেয়ে ৬.৪৪ কোটিতে নেমে এসেছে বলে সরকারি তথ্যে পাওয়া যায়।
নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য হলো যে, এই সমগ্র প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য ছিল যোগ্য ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং অযোগ্য ভোটারদের বাতিল করা। বাস্তবে এই প্রক্রিয়া সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগ এবং অনিশ্চয়তার জন্ম দিয়েছে। অনেকে অভিযোগ করছেন যে, তাঁদের কাছে আধার কার্ড, রেশন কার্ড, প্যান কার্ড, জন্ম সার্টিফিকেট, বিদ্যালয়ের নথি, জমির নথি, বিদ্যুৎ বিল, এমনকি বহু বছর ধরে ভোটার পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে অথবা বিচারাধীন অবস্থায় রাখা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একই পরিবারের কিছু সদস্যের নাম ভোটার তালিকায় থাকলেও অন্য সদস্যদের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এসবের ফলে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
আইনগতভাবে ভোটার তালিকায় নাম থাকা এবং ভারতীয় নাগরিকত্ব অর্জন বা বজায় রাখা সম্পূর্ণ পৃথক বিষয়। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাতিলের অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভারতীয় নাগরিকত্ব হারানো নয়। নাগরিকত্বের প্রশ্ন সংবিধান এবং নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এর অধীনে নির্ধারিত হয়। তবুও বাস্তব পরিস্থিতিতে অনেকের মধ্যে এই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া ভবিষ্যতে তাঁদের নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশের একটি ভিত্তি হিসাবে ব্যবহার করা হতে পারে। 
বিশেষত সীমান্তবর্তী জেলা, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল জনগোষ্ঠী, ভাষাগত এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং বহু প্রজন্ম ধরে একই স্থানে বসবাসকারী পরিবারগুলির মধ্যে ভয়ের মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি। তাঁদের অনেকের আশঙ্কা যদি ভোটার তালিকা থেকে তাঁদের নাম বাদ পড়ে, তাহলে ভবিষ্যতে সরকারি সুবিধা গ্রহণ, পরিচয় প্রমাণ, জমি-জমার অধিকার, সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্পে অংশগ্রহণ এবং অন্যান্য নাগরিক অধিকারের ক্ষেত্রেও জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। অনেকেই মনে করছেন যে একবার সরকারি নথি থেকে নাম বাদ পড়লে পরবর্তীতে নিজের পরিচয় ও নাগরিকত্ব প্রমাণ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
তাই ভোটার তালিকা সংশোধনের এই প্রশাসনিক প্রক্রিয়া কেবলমাত্র ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং তা অনেকের কাছে নাগরিক পরিচয়, সাংবিধানিক মর্যাদা, নিরাপত্তা, সামাজিক স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগে পরিণত হয়েছে। আইনগতভাবে ভোটার তালিকা থেকে নাম অপসারণ ও নাগরিকত্ব হারানোর মধ্যে সরাসরি কোনও সম্পর্ক না থাকলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের মনে যে ভয়, উদ্বেগ এবং অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডাকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মহা উদ্যোগ মোল্লা নাসিরুদ্দিনের বেড়ালের মাংস খাওয়ার গল্পের কথা মনে করায়। মোল্লা একবার বাজার থেকে কিলো খানেক মাংস কিনে বাড়ি ফিরে গিন্নিকে সেটাকে রান্না করতে বলে অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে যান। অন্যদিকে বিবিসাহেবা নিজেরই রান্না করা অতি সুস্বাদু মাংস লোভে পড়ে পুরোটাই খেয়ে ফেলে পড়ে যান ফ্যাসাদে। মোল্লা কিছু সময় পর ফিরে এসে যখন মাংস খেতে চান তখন বিবিসাহেবা একটা বেড়ালকে দেখিয়ে বলে দেন যে ‘ওইই সবটা খেয়ে নিয়েছে’! মোল্লাও ছাড়ার পাত্র নন, সঙ্গে সঙ্গে বেড়ালটাকে ধরে চাপিয়ে দেন দাঁড়িপাল্লায়, ওজন আসে ঠিক ১ কিলো! অতঃপর স্ত্রীর প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় মোল্লার অমোঘ প্রশ্ন–‘এটা যদি বেড়াল হয় তাহলে মাংস কোথায় আর এটা যদি মাংস হয় তাহলে বেড়াল কোথায়?’ এই মুহূর্তে বাংলায় অনুপ্রবেশ প্রশ্নে বিজেপি’র অবস্থা দাঁড়িয়েছে ঠিক মোল্লা নাসিরুদ্দিনের বিবিসাহেবার মতো।
১৯৮০ সালে রাজনৈতিক দল হিসাবে বিজেপি’র আত্মপ্রকাশের এক বছর পরেই আসামে আর তার তিন বছর পরে কলকাতায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) অনুপ্রবেশের ওপরে জাতীয় কনফারেন্সের আয়োজন করে। অর্থাৎ দেশের পূর্ব সীমান্ত বরাবর অনুপ্রবেশের কাহিনি বিজেপি-আরএসএস’র অন্যতম একটি কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক ইস্যু হিসাবে কার্যকর থেকেছে গত ৪৫ বছরেরও বেশি সময়। ২০১৪ সালে বিজেপি’র কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার ঠিক পরেই, অক্টোবর মাসে উলুবেড়িয়া এসে বাংলায় অনুপ্রবেশের কারণে জনবিন্যাসের বদলে যাওয়ার দাবি জানিয়ে যান মোহন ভাগবত। এরপর ধাপে ধাপে বিজেপি’র নেতা, মন্ত্রীরা একেবারে সংখ্যা শোনাতে শুরু করেন। এনআরসি’র আবহে দিলীপ ঘোষ ২০২০ সালেই বাংলায় ১ কোটি আর বাকি দেশে আরও ১ কোটি বাংলাদেশির গল্প শোনান।  ২০২৫-এর আগস্টে শুভেন্দু অধিকারী আবার ১ কোটি বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীর কথা ঘোষণা করেন। তারপর অক্টোবরে শান্তনু ঠাকুর সেই সংখ্যাকে নিয়ে যান ১.২ কোটিতে। এই পুরো পর্বে অমিত শাহের সঙ্গত তো চলতেই থাকে। এই প্রেক্ষাপটের ওপরে দাঁড়িয়ে ‘SIR’ তো করতেই হবে’ বলে বিজেপি’র রাজনৈতিক প্রচার চলতে থাকে।
কিন্তু ৬ মাস ব্যাপী এই মহাযজ্ঞের ফল কি দাঁড়ালো? ৭.৬৬ কোটি তালিকাভুক্ত ভোটদাতার মধ্যে প্রথমেই ৫৮ লক্ষ মৃত, স্থানান্তরিত, একাধিক জায়গায় থাকা নাম বাতিল হয়। কিন্তু এমন বাতিলের সংখ্যা উত্তর প্রদেশে পাওয়া যায় ২.৮৯ কোটি আর গুজরাটে ৭৪ লক্ষ। পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে সংখ্যা, হার বেশি। ‘যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতি’র নামে পরে সাড়ে ৩২লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। এই কাজ ঠিক আইনানুগ না হওয়ায় সর্বোচ্চ আদালত এই মানুষকে আবার ট্রাইব্যুনালের আবেদনের মাধ্যমে পুনর্বিচার চাওয়ার নিদান দেন। এদিকে তথাকথিত’ বাতিল তালিকার ব্যক্তিদের নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘোষণা করেন,‘‘নিজেরাই চলে গেলে কাউকে শাস্তি দেওয়া হবে না।’’ মন্ত্রীর বাণী শুনে ভয় পাননি কেউ। তাই লক্ষ লক্ষ আপিল জমা হয়েছে। আরও চিত্তাকর্ষক ঘটনা এই যে এখনও পর্যন্ত জানা তথ্য অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া মাত্র ৬৫৮১ টি আবেদনের মধ্যেও মাত্র ১২৬৭ টি (১৯%) বাতিল হয়েছে। যার অর্থ এই হারে চলতে থাকলে বড়জোর ৬ লক্ষর মতো এমন মানুষকে সরকার দেখানোর চেষ্টা করতে পারে। 
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যে ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে এবং তার যথেষ্ট কারণও আছে। পর্যাপ্ত নথি থাকা সত্ত্বেও শুনানি না করে আপিল খারিজ করেছে, এই ট্রাইব্যুনালে এমন উদাহরণ ভূরি ভূরি। ট্রাইবুনালের সেই রায়ের বিরুদ্ধে তাই মামলা দাখিল হচ্ছে রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালতে। উল্লেখ্য, অসফলভাবে করা ভয় দেখানোর রাজনীতির আরও প্রকট হয়েছে সাম্প্রতিক অতীতে জারি করা সরকারি নির্দেশিকার মধ্য দিয়ে। যেখানে ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারী প্রত্যেককে সমস্ত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার কথা সরকার ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে। এই ঘটনাপ্রবাহ থেকে প্রমাণ হয়েছে যে, বিজেপি-আরএসএস’র অর্ধশতক ধরে নির্মিত ‘অনুপ্রবেশ আতঙ্ক’-এর রাজনৈতিক ফানুসটি ফেটে চিরকালের মতো বিলীন হয়ে যেতে বসেছে। বিজেপি-আরএসএস’র বিড়ম্বনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমানা বরাবর তৎপরতা বহুগুণ বাড়িয়ে গত কয়েকদিনে এদেশের বিএসএফ’র তথাকথিত ‘পুশব্যাক’-এর চেষ্টাগুলিকে ব্যর্থ করে দিয়েছে (৬ জুন করিমপুরে ১০ জন, ৯ জুন বড়বাড়ি থেকে ১০ জন, ১২ জুন দৌলতপুরে ১২ জন, ১৪ জুন বার করিমপুরে ১২ জন, এবং শেষতক ২১ জুন মালদহের বৈষ্ণবনগরের ২০ জন)। 
বিজেপি এখন পড়েছে ফ্যাসাদে! একে তো সংখ্যা মিলছে না, তারপর কাউকে ‘পুশব্যাক’ও করা যাচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যে, এতদিনে ৪৮০০ অনুপ্রবেশকারীকে ওদেশে ঠেলে পাঠানো হয়েছে। যেকথা বাংলাদেশ স্বীকার করেনি। আর অন্যদিকে সীমান্ত পারে ঘটা করে নির্মিত হোল্ডিং সেন্টারে মাত্র কয়েকশো মানুষের থাকার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ফলে মন্ত্রীবর অমিত শাহ নিরুপায় হয়ে গত ২৮ মে আহমদবাদে বলে দিয়েছেন যে, আগে রোজ ৫০০০-১০০০০ অনুপ্রবেশকারী বাংলায় ঢুকত (যার অর্থ বছরে ১৮ থেকে ৩৬ লক্ষ!) আর আজ ঠিক সেই সংখ্যাই রোজ বেরিয়ে যাচ্ছে। যার অর্থ যতটা যোগ ঠিক ততটাই বিয়োগ। ফলে খালি চোখে আর অনুপ্রবেশকারী দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না, হাতে পড়ে থাকছে পেন্সিল। মোদ্দা কথা— ‘এটা যদি বেড়াল হয় তাহলে মাংস কোথায় আর এটা মাংস হলে বেড়াল কোথায়?’    
গত কয়েক বছর ধরে বিজেপি-আরএসএস’র অনেক দশকের সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুগুলি একের পর এক কার্যকারিতা হারাচ্ছে—রামমন্দির, ৩৭০ ধারা অতিক্রম করে এবার অনুপ্রবেশের প্রশ্নও সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে। হাতে পড়ে রয়েছে এনআরসি-সিএএ, যা SIR-পরবর্তী পরিস্থিতিতে আরও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 

Comments :0

Login to leave a comment