জানা অজানা
নতুনপাতা
গুড ফ্রাইডে
তপন কুমার বৈরাগ্য
২০২৬ এপ্রিল ৩, বর্ষ ৩
গুড ফ্রাইড খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের এক স্মরণীয় শোকের উৎসব।
যীশুখ্রিস্টের জন্মদিন যেমন এক আনন্দের উৎসব তেমনি গুডফ্রাইডে এক শোকের দিন।এইদিন গীর্জায় গীর্জায়
খ্রিস্টান ধর্মমাবলম্বীরা উপোস থেকে চোখের জলে প্রার্থনা সভায়
উপস্থিত থাকে। জেরুজালেমের নিকট গলগথা নামক স্থানে
যীশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল।রোমান সৈন্যরা তাকে চাবুক
মেরে হাতে পায়ে পেরেক মেরে তার মৃত্যু তরান্বিত করে। কি অসহ্য
যন্ত্রনা সহ্য করতে করতে তার মৃত্যু হয়েছিল।একমাত্র লক্ষ্য
মানবজাতির মঙ্গল।পৃথিবীর ইতিহাসে যীশুর মতন মৃত্যু কোনো
মহাপুরুষের নেই।রোমান সৈন্যরা যখন পৈশাশিক উল্লাসে
মত্ত ,তখন তিনি তাদের ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখেছেন।তাই পরম
পিতার উদ্দেশ্যে বলেছেন--পিতা এদের ক্ষমা কর,কারণ এরা
কি করছে জানে না।মানবজাতির পাপের প্রায়শ্চিত্ত ও মুক্তির
জন্য যীশুর এই আত্মত্যাগ।তিনি ছিলেন ভালোবাসা এবং ক্ষমার
আদর্শ।এই আত্মত্যাগের দিনে কালো পোশাক পরা হয়,উপোস করা হয়,শোক প্রকাশ করা হয়।যীশু ৩৩বছর বেঁচে ছিলেন।
৩রা এপ্রিল তার মৃত্যু হয়।আবার কারো কারো মতে তিনি ৩৬বছর
বেঁচে ছিলেন।৭ই এপ্রিল তার মৃত্যু হয়।কোনো মতে ৩৩খ্রিস্টাব্দ
আবার কোনো মতে ৩৬ খ্রিস্টাব্দ। যীশুর মাঝে আমরা খুঁজে
পেয়েছি ভালোবাসা,ক্ষমার আদর্শ।আজ মানুষের মধ্যে থেকে
দয়া,মায়া,ক্ষমা,সত্যিকারের ভালোবাসা যেন উধাও হয়ে গেছে।
এই সময়ে যীশুই আমাদের সঠিক পথ দেখাতে পারবে।
যীশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার আগে শেষ কথা বলে গেছেন--
পিতা,তোমার হাতেই আমার আত্মার সমর্পন করি।
Comments :0