Taratala

তারাতলা: মৃত বেড়ে ১০, চিকিৎসাধীন ৩১, বিধানসভায় বিবৃতি মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্য

ছবি : রবীন গোলদার

তারাতলার ঘটনায় আহতদের পরিবার পিছু এক লক্ষ টাকা এবং নিহতদের পরিবার পিছু দশ লক্ষ টাকা ক্ষতিপুরণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থ দিয়ে মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ হয় না। সেটা স্বীকার করেও দায়িত্বশীল সরকার তার দায়িত্ব পালনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।’
তিনি অভিযোগ করেন, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ১৭ তারিখে ভেঙে পড়া গোডাউনের বিল্ডিং প্ল্যানে অনুমোদন দিয়েছিল কলকাতা পৌরসভা। তাতে পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার, অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার এবং এগজ়িকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারের যোগ তো আছেই, প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমও জড়িত বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিল্ডিং প্ল্যানের নথিতে যেই নথিতে প্রাক্তন মেয়রের সই রয়েছে, তা-ও বিধানসভায় সকলকে দেখান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৩১ জন এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এখনও চলছে উদ্ধার কাজ।
এই ঘটনায় ৫ জনকে আটক করে করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার মধ্যে চারজনের নামে এফ আই আর দায়ের হয়েছে।
গ্রেপ্তার করা হয়েছে গুলজার হোসেন (আয়ান ট্রেডার্সের সুপারভাইজার) কমল সামন্ত, (লোহার কাঠামো তৈরির সঙ্গে যুক্ত), শম্ভুনাথ বেহরা- (এর কাছ থেকেই জমিটি নিজে নিয়েছিল সংশ্লিষ্ট সংস্থা), দিবাকর ভান্ডারী (লেবার  কন্ট্রাক্টর), আটক করা হয়েছে আব্দুল হামিদ কেও। পুলিশের অভিযোগ এই ব্যক্তি কর্পোরেশনের দালাল। তিনি নির্মাণের প্ল্যানটি অনুমোদনের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।
এদিকে ক্যালকাটা ডক লেবার বোর্ড ওয়ার্ক মেইন্স ইউনিয়ন জানিয়েছে যে তারা এই বেআইনি কাজ সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে সাবধান করেছে আগেই। সিপিআই(এম) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সোশ্যাল মিডিয়া পেজে বিষয়টিকে তুলেও ধরা হয়েছে।
কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যানকে চিঠি দিও জনৈক্য আজগার হোসেনের অবৈধ দখলদারি জানিয়েছিল কর্মী ইউনিয়ন। এবছরের এপ্রিলের ওই জমিটি বেহেরা ব্রাদার্সের হাতে লিজের সিদ্ধান্তে ‘নো অবজেকশন’ দিয়েছিল বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ১১ মে কর্মী ইউনিয়নের সম্পাদক সরফরাজ আলম চিঠি পাঠান কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এবং জাহাজ ও বন্দর মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি কাছে। কিন্তু তারপরেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

Comments :0

Login to leave a comment