শ্রমিক আন্দোলন ভাঙার চেষ্টায় উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার চালাচ্ছে দমন নীতি। গ্রেপ্তার করা হচ্ছে শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে। এমনকি সিপিআই(এম)’র সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলকে আটকানো হয়েছে। দমন চালিয়ে শ্রমিক আন্দোলনকে ভাঙা যাবে না।
শুক্রবার বিবৃতিতে একথা বলেছেন সিআইটিইউ সাধারণ সম্পাদক এলামরাম করিম।
নয়ডার পর দিল্লি সংলগ্ন শিলপাঞ্চলের একাধিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে শ্রমিক আন্দোলন। ন্যূতম বেতন, অস্থায়ী কর্মীদের ওপর মারাত্মক শোষণের ক্ষোভ ফেটে বেরিয়েছে রাস্তায়। আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে সিআইআইইউ। নয়ডায় সিআইটিইউ দপ্তর সিল করে দিয়েছে যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। মহিলা শ্রমিকদের ওপর লাঠি চালানো হয়েছে। শ্রমিকদের পরিবারকে ভয় দেখানো হচ্ছে। গোপন আটক চলছে।
করিম বলেছেন, আন্দোলনরত প্রত্যেক শ্রমিককে মুক্তি দিতে হবে। সিআইটিইউ নেতা এবং শ্রমিকদের আটক করার পর তাঁদের খোঁজ মিলছে না। তাঁরা কোথায় জানাতে হবে প্রশাসনকে। সব মিথ্যা মামলা খারিজ করতে হবে। আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে। স্বৈরাচারী আক্রমণের বিরুদ্ধে সারা দেশের শ্রমিকশ্রেণি সংহতি জানাচ্ছে।
উল্লেখ্য, এদিন সকালে সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি সহ প্রতিনিধিদলকে আটকে দেয় যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। নেতৃবৃন্দ রাস্তায় বসেই প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসতে বাধ্য হয় প্রশাসন।
গত ১৬ এপ্রিল সিআইটিইউ গৌতম বুদ্ধ নগরের জেলা সম্পাদক রাম স্বরথকে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে। তিনি কোথায় জানাচ্ছে না। তার আগের দিন, ১৫ এপ্রিল, এলামরাম করিমের নেতৃত্বে সিআইটিইউ প্রতিনিধিদল দেখা করে নয়ডা পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনের সঙ্গে। আটকদের মুক্তির দাবি মেনে নেয় প্রশাসন। অথচ ঠিক তার উলটো আচরণ করা হচ্ছে।
Noida Workers Movement CITU
দমন চালিয়ে শ্রমিক আন্দোলনকে ভাঙা যাবে না, যোগী প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি সিআইটিইউ’র
হিমাচল প্রদেশের হামিরপুরে জল বিদ্যুৎ প্রকল্পের শ্রমিকরা শামিল নয়ডার শ্রমিকদের সংহতিতে।র
×
Comments :0