TMC

ঋতব্রতকে মানছেন না কুনালরা, বৈঠক শুভেন্দুর সঙ্গে

রাজ্য কলকাতা

বিধানসভায় ‘প্রকৃত’ তৃণমূল নিয়ে বিতর্কের মধ্যে শুরু হলো রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন। নির্বাচনের পর রাজ্য বিধানসভার প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার। এদিন রীতি মেনে বাজেট অধিবেশনের প্রারম্ভিক ভাষণ পাঠ করলেন রাজ্যপাল আরএন রবি। 
বৃহস্পতিবারই কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে যে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা পদে অধ্যক্ষের সিদ্ধান্তে আপাতত হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। বিরোধী দলনেতা পদে তৃণমূলের বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জিকে স্বীকৃতির সিদ্ধান্তের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেয়নি হাইকোর্ট। তৃণমূল মনোনীত বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চ্যাটার্জির আবেদনে এদিনই চূড়ান্ত নির্দেশ দেননি বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। তবে তিনি জানান আগামী ২৮ জুলাই ফের শুনানি হবে। 
বিধানসভার বাজেট অধিবেশন চলবে ২৩ জুন পর্যন্ত। ফলে এই অধিবেশনে বিরোধী দলনেতা থাকছেন ঋতব্রত ব্যানার্জিই। 
এদিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন মমতা ব্যানার্জির পক্ষে থাকা তৃণমূলের পাঁচ বিধায়ক। ছিলেন কুনাল ঘোষ, শোভনদেব চ্যাটার্জি, মদন মিত্র, অশোক দেব, আব্দুর রহিম বক্সি। সাংবাদিকদের মুখিমুখি হয়ে কুনাল ঘোষ জানান, "তৃণমূল বিধায়করা বিধানসভায় বলবেন কীভাবে? সময় কীভাবে দেওয়া হবে? সেই কথা বলেছি মুখ্যমন্ত্রীকে।’’ ঋতব্রত ব্যানার্জির থেকে তাঁরা সময় নেবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন কুনাল।
কুনাল আরও জানিয়েছেন যে বিধানসভায় বলার জন্য তাঁদের আলাদা সময় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিষদীয় মন্ত্রীকে সেই মতো ব্যবস্থাও নিতে বলেছেন তিনি। 
বিরোধী দলনেতা সহ বিধানসভায় তৃণমূলের পদাধিকারীদের নাম জানিয়ে অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছিলেন সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি। সই জালের অভিযোগ তুলে পালটা চিঠি দেন ঋতব্রত ও সন্দীপন সাহা। দু’জনকেই তৃণমূল বহিষ্কার করে। কিন্তু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা পদে নির্বাচিত করে ৫৮ বিধায়কের পালটা চিঠি জমা পড়ে। অধ্যক্ষ দ্রুত ঋতব্রতকেই স্বীকৃতি দেন। 
এদিনের হাইকোর্টের রায়ের পর সন্দীপন সাহা বলেন, "এটি আমাদের নৈতিক জয়। কারণ ৫৮ জনেরও বেশি বিধায়ক বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত ব্যানার্জি সমর্থনে স্বাক্ষর করেছেন। আইনি বিধি মেনে সেই চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আমাদের সংখ্যা আরও বেড়েছে।"

Comments :0

Login to leave a comment