নরেন্দ্র মোদীর শাসনে ন্যূনতম মজুরি পাচ্ছেন না শ্রমিকরা। বহু রাজ্যে দশ বছর ধরে ন্যূনতম মজুরি সংশোধন করাই হয়নি। উলটে শ্রমিক অসন্তোষে পড়ছে পুলিশের লাঠি। হয়নি কৃষি ফসল ন্যূনতম দামে কেনার আইন। বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে ১৩ মে যৌথ বৈঠকে বসছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সমূহ এবং সংযুক্ত কিসান মোর্চা।
মঙ্গলবার যৌথ বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সমূহ এবং সংযুক্ত কিসান মোর্চার নেতৃত্ব মে দিনের মিছিলে শ্রমিক-কৃষক মিছিল করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিহারের বারাউনি থেকে উত্তর প্রদেশের নয়ডা বা হরিয়ানার মানেসরের শিল্পাঞ্চলে জোরালো শ্রমিক আন্দোলন দেখেছে সারা দেশ। বিবৃতিতে সেই পরিস্থিতি মনে করিয়ে বলা হয়েছে বিজেপি’র ডবল ইঞ্জিন কতটা ব্যর্থ দেখাচ্ছে শ্রমজীবী জনতার এমন দুর্দশা।
মজুরি জীবন চালানোর মতোও নয়, বাড়ছে জিনিসের দাম, স্থায়ী শ্রমিকের মর্যাদা না দিয়ে দেশময় কারখানায় অস্থায়ী করে রেখে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। এঁদের বড় অংশ পরিযায়ী শ্রমিক।
শ্রমিক-কৃষকদের দাবি, আন্দোলনরত শ্রমিকদের পাঠানো হচ্ছে জেলে। তাঁদের বিনা বিচারে আটক করা হয়েছে। মুক্তি দিতে হবে তাঁদের সকলকে। বেআইনি পদ্ধতিতে গৃহবন্দি করে রাখা যাবে না। কাজের জায়গায় সুরক্ষার বন্দোবস্ত করতে হবে।
২০১৫’র পর থেকে দেশে শ্রম সম্মেলন হয়নি। ডাকতে হবে সম্মেলন।
বিবৃতিতে দাবি, ফসলের ন্যূনতম দামের আইন পাশ করতে হবে কেন্দ্রের সরকারকে। শস্যহানিতে ক্ষতিপূরণের গ্যারান্টি দিতে হবে। আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করে কৃষির বাজার আমেরিকার কর্পোরেটদের জন্য খুলে দেওয়ার উদ্যোগ বন্ধ করতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গে সিআইটিইউ বারবারই বলেছে যে এরাজ্যে তৃণমূল সরকারও ন্যূনতম মজুরি কাঠামো কার্যকর করছে না দীর্ঘদিন। কম মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে শ্রমিকরা।
জাতীয় স্তরের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে কর্পোরেটের মুনাফা রক্ষার জন্য চলছে বিভিন্ন সরকার। এই নীতির বিরুদ্ধেই লড়াই জোরালো করতে হবে। তার জন্য শ্রমিক-কৃষক ঐক্য মজবুত করেই চলবে লড়াই।
Worker Farmer Struggle
ভয়ঙ্কর আঘাত মজুরিতে-ফসলের দামে, শ্রমিক-কৃষক যৌথ লড়াইয়ের ডাক
নয়ডায় শ্রমিক অসন্তোষ রাস্তায় নেমেছিল এভাবেই।
×
Comments :0