ED RAIDS

সোনা পাপ্পু মামলায় দুই জায়গায় ইডি তল্লাসি

কলকাতা

দ্বিতীয় দফার ভোটের ফের সক্রিয় ইডি। রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার দুই জায়গায় তল্লাসি চালাচ্ছে ইডি। আনন্দপুরে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি এবং আলিপুরে আরও এক ব্যবসায়ীর ঠিকানায় একযোগে হানা দেয় ইডি। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগেই এই অভিযান।
ইডি সূত্রে জানা যাচ্ছে, জমি দুর্নীতি ও আর্থিক জালিয়াতির মামলায় নাম জড়িয়েছে সোনা পাপ্পুর। গোলপার্ক এলাকায় গুলিকাণ্ডের পর থেকেই সে পলাতক। তারই ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ব্যবসায়ীর আর্থিক লেনদেন নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় তাদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই মামলায় জয় নামে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই দুজনের খোঁজ পেয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারি সংস্থার আধিকারিকরা।
এই দুই ব্যবসায়ী ঠিক কীভাবে আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তা খতিয়ে দেখছেন ইডির আধিকারিকরা। 
ইডি সূত্রে খবর সম্প্রতি কসবার সোনা পাপ্পু’র বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ইডি আধিকারিকেরা বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পান। সেই সূত্র ধরেই উঠে আসে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ও বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের নাম। এর আগেও প্রোমোটারের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর নগদ উদ্ধার হয়েছিল। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডি তাঁকে দু’বার তলবও করেছিল। কিন্তু তিনি হাজিরা এড়িয়ে গেছেন। 
ইডি সূ্ত্র জানিয়েছে, জমি ও বাড়ি সহ বেশ কিছু স্থাবর সম্পত্তি চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলো অপরাধমূলক কাজের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
সেই সময় আধিকারিকার 'সোনা পাপ্পু'র ব্যবহৃত একটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেন। এছাড়াও, কলকাতার ফার্ন রোডে 'সোনা পাপ্পুর' বাড়ি থেকে "মেড ইন ইউএসএ" লেখা একটি বন্দুক উদ্ধার করা হয়। বন্দুকটি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 
ইডি’র সূ্ত্রে খবর রাজ্য পুলিশের দায়ের করা একাধিক এফআইআর’র ভিত্তিতে ‘সোনা পাপ্পু’ ও অন্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই এফআইআরগুলি ১৮৬০ সালের ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং ১৯৫৯ সালের অস্ত্র আইনের বিভিন্ন ধারায় নথিভুক্ত করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা, খুনের চেষ্টা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং অস্ত্র আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

Comments :0

Login to leave a comment