তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক কমিটির মেয়াদ ২০২৭ পর্যন্ত আছে। ফলে পাঁচতারা হোটেলে বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর বিশেষ অধিবেশনের বৈধতা নেই দলের সংবিধানে।
সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে দলের কর্তৃত্ব দাবি করে এই বক্তব্য জানিয়েছেন মমতা ব্যানার্জির পক্ষের নেতানেত্রীরা।
এদিন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। ছিলেন সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি, সাগরিকা ঘোষ, মহুয়া মৈত্র।
গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত ব্যানার্জি সহ তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা। গত জুনে বিশেষ অধিবেশন ডেকে দলের নেতৃত্ব পরিবর্তনের উল্লেখ করে কর্তৃত্ব দাবি করেন।
তৃণমূলের কর্তৃত্ব নিয়ে বিরোধে মমতা ব্যানার্জির পক্ষের অংশকেও বক্তব্য জানাতে বলেছিল কমিশন। এদিন কমিশনে দেখা করে বেরিয়ে এসে কল্যাণ ব্যানার্জি সংবাদমাধ্যমে বলেছেন যে বক্তব্য বিশদে জানানো হয়েছে কমিশনকে।
কল্যাণ ব্যানার্জির বক্তব্য, একাধিক বার জাতীয় ওয়ার্কিং কমিটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তার জন্য সংবিধান পরিবর্তন করা হয়েছে। ২০০৬ সালে দলের সংবিধান পরিবর্তন করে কমিটির মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়। ২০২২ সালে কমিটি গঠন হয়েছিল। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই তার মেয়াদ ২০২৭ পর্যন্ত রয়েছে। দলের সংবিধান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছিল।
বিক্ষুব্ধ অংশের বক্তব্য, তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় ওয়ার্কিং কমিটির মেয়াদ ২০২৫ সালেই শেষ হয়ে গিয়েছে। মমতা ব্যানার্জির অংশ কমিশনে বলেছে যে কমিটিই যদি না থাকে তা’হলে দলের হয়ে ঋতব্রত ব্যানার্জি এবং তাঁর সহযোগীরা কিভাবে ২০২৬’র বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রতীকে প্রার্থী হলেন?
কল্যাণ ব্যানার্জি বলেন, কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার যুক্তি দলের সংবিধান সম্মত নয়। গত ২২ জুন বিক্ষুব্ধ অংশের বিশেষ অধিবেশনের বৈধতায় প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি। সংগঠনের সব স্তরে জানানো হয়নি। পদাধিকার বলে এই কমিটির সদস্যদেরও জানানো হয়নি। সব সাংসদ এবং বিধায়কদের নোটিশ পাঠানো বাধ্যতামূলক। তা-ও করা হয়নি।
TMC EC
ঋতব্রতদের বিশেষ অধিবেশন বৈধতা নেই, কমিশনে বললেন কল্যাণ-সাগরিকারা
×
Comments :0