I-PAC

ভিনেশ চান্ডেলের ১০ দিনের ইডি হেপাজত

জাতীয় রাজ্য

কয়লা পাচার কান্ডে ধৃত আই-প্যাক কর্তা ভিনেশ চান্ডেলের দশ দিনের ইডি হেপাজতের নির্দেশ দিল আদালত। সোমবার রাতে দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আই-প্যাকের অন্যতম এই শীর্ষ কর্তাকে। 
অভিযোগ, কয়লা পাচার থেকে আসা কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল। চলতি মাসের শুরুতেই এই সংস্থার একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ ডিজিটাল নথি ও গোপন আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। নির্বাচনী খরচের হিসাব সংক্রান্ত এমন কিছু কাগজও উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। 
ইডি’র দাবি প্রায় ৫০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের হদিস পাওয়া গিয়েছে। এই অঙ্ক কয়েকশো কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে অনুমান। ইডি সূত্রে বলা হচ্ছে, এটি কেবল একটি সাধারণ আর্থিক অনিয়ম নয়, বরং অপরাধের টাকাকে বৈধ করার এক ষড়যন্ত্র। 
ইডি জানিয়েছে এই টাকা আর কোন কোন প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে পৌঁছেছে, ভিনেশকে জেরা করে সেটাই খুঁজে বের করা এখন প্রধান কাজ হবে।
উল্লেখ্য এর আগে আই-প্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজে সেই জায়গায় পুলিশ নিয়ে উপস্থিত হয়ে সব ফাইল ইডি’র কাছ থেকে নিয়ে চলে আসেন। 
ইডির সামনে দিয়ে কলকাতা পুলিশকে দিয়ে বিভিন্ন নথি একটি গাড়িতে তোলান মুখ্যমন্ত্রী। গাড়িটি তৃণমূল কংগ্রেসের নামে রেজিস্টার করা। সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং ইডির সামনে দিয়ে নথি নিয়ে চলে যাওয়া প্রশ্ন তুলেছে। কোন নথি নিয়ে পালালেন মমতা? উল্লেখ্য এই কয়লা পাচার মামলায় দিল্লিতে ইডি দপ্তরে হাজিরা দিয়েছিল অভিষেক ব্যানার্জি।
মমতার দাবি ওই কাগজ গুলো তার দলের। সেখানে একাধিক নথি রয়েছে। প্রশ্ন এখানেই তৃণমূলের নথি আই-প্যাকের অফিসে কি করছে।
সেই সময় সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম ইডি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কেন সেখানে মুখ্যমন্ত্রীকে ঢুকতে দেওয়া হলো? কেন ওই জায়গা ঘিরে রাখা হয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে।
উল্লেখ্য সুপ্রিম কোর্টের এই নিয়ে মামলা চললেও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ মমতার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেয়নি ইডি।

Comments :0

Login to leave a comment