Annapurna Yojana Phansidewa

অন্নপূর্ণা যোজনায় বঞ্চিতদের মহিলাদের ওপর কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠি চার্জ

রাজ্য জেলা

সরকারি নির্দেশ মেনে কখনো অনলাইনে, আবার কখনো অফলাইনে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করেছেন মহিলারা। আবেদন করেও হাজার হাজার যোগ্য প্রাপকরা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাওয়া থেকে বঞ্চিত। অপেক্ষারও বাঁধ ভাঙছে এবার। অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত উপভোক্তাদের বিক্ষোভকে ছত্রভঙ্গ করতে বিএসএফের লাঠি চালানোর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়াতে। মঙ্গলবার শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়া বিডিও অফিসে অন্নপূর্না যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান মহিলারা। বিক্ষোভরত মহিলাদের ওপর পুলিশের উপস্থিতিতে লাঠি চালায় বিএসএফ। ঘটনায় বেশ কয়েকজন উপভোক্তা আহত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, বিএসএফের লাঠির আঘাতে দুইজন সাংবাদিকও জখম হন। 
জানা গেছে, এদিন ফাঁসিদেওয়া বিডিও দপ্তরে শতাধিক অন্নপূর্না যোজনার উপভোক্তারা জমায়েত হয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। উপভোক্তাদের অভিযোগ, নিয়ম মেনে অফলাইন ও অনলাইনে অন্নপূর্না যোজনার ফরম জমা দেওয়া সত্ত্বেও তারা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, জনকল্যান শিবিরে গিয়ে ফরম পূরণ করে জমা দেবার পরেও তারা অন্নপূর্না যোজনার অর্থ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এদিন বিডিও দপ্তরে কেন এই বঞ্চনা তা জানতে চেয়ে শ্লোগান তুলে উপভোক্তারা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেইরকমভাবে কোন সাড়া শব্দ না মেলায় ক্ষোভ ক্রমশ বাড়তে থাকে। ক্রমশই উত্তেজনা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় ফাঁসিদেওয়া থানার ওসি সুদীপ কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে বিরাট পুলিশ বাহিনী। উপস্থিত হন বিএসএফ জওয়ানরাও। 
অভিযোগ, এরই মাঝে পুলিশের উপস্থিতিতেই বিএসএফের পুরুষ জওয়ানরা আচমকাই বিক্ষোভে সামিল উপভোক্তাদের ওপর লাঠি চালানো শুরু করে দেয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফাঁসিদেওয়া থানার ওসি’র নির্দেশ ছাড়াই কেন্দ্রীয় বাহিনীর এভাবে লাঠি চালানোর ঘটনা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিএসএফ জওয়ানদের লাঠি চালানোর বিরুদ্ধে স্থানীয় মানুষজন প্রতিরোধ গড়ে তুলে এগিয়ে আসলে পুলিশী হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।  

Comments :0

Login to leave a comment