UCRC Biman Basu

পানিহাটিতে শুরু উদ্বাস্তু আন্দোলনের রাজ্য সম্মেলন

রাজ্য জেলা

শনিবার পানিহাটিতে ইউসিআরসি’র রাজ্য সম্মেলনে বিমান বসু।

কেন্দ্রীয় সরকার উদ্বাস্তু পুনর্বাসন দপ্তর তুলে দিয়েছিল। রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকারের সময়ে এই দপ্তর ছিল। তৃণমূল মনে করছে উদ্বাস্তু পুনর্বাসন সমস্যা মিটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও অনেকেই পাট্টা পাননি। সেই দাবি তুলবে রাজ্যের উদ্বাস্তু আন্দোলন। সে কারণে ইউসিআরসি’র এই রাজ্য সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ।
শনিবার পানিহাটিতে ইউসিআরসি’র রাজ্য বিশতম সম্মেলনে একথা বলেছেন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান এবং সিপিআই(এম)’র প্রবীণ নেতা বিমান বসু।  
সম্মেলন কক্ষের নামকরণ হয়েছে অমর দাস প্রভাস ননী দে দুর্গা শংকর বসাকের নামে। মঞ্চের নামকরণ হয়েছে সুভাষ মুখার্জির নামে। পানিহাটি আগরতলা এলাকায় সম্মেলন স্থলের নামকরণ হয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য নগর। 
এদিন সংগঠনের পতাকা উত্তোলন করেন রাজ্য সভাপতি জীবন রঞ্জন ভট্টাচার্য। 
এরপরে শহীদ বেদীতে মাল্যদান করেন জীবন রঞ্জন ভট্টাচার্য, বিমান বসু, সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক মধু দত্ত। মালা দেন রেখা গোস্বামী,  সুজন চক্রবর্তী, সুমিত দে সহ নেতৃবৃন্দ।
সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে বিমান বসু বলেন, উদ্বাস্তু দপ্তর প্রথম তোলে কেন্দ্রীয় সরকার। সর্বশেষ উদ্বাস্তু ও পুনর্বাসন দপ্তর ছিল দিল্লিতে। মন্ত্রী ছিলেন মেহেরচাঁদ খান্না। তারপর আর উদ্বাস্তু দপ্তর নেই। যেন উদ্বাস্তু সমস্যা নেই। 
বামফ্রন্ট সরকারের সময় উদ্বাস্তু দপ্তর ছিল। তৃণমূল মনে করেছে উদ্বাস্তু সমস্যা মিটে গিয়েছে। 
তিনি বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ৮ দফা এবং রাজ্য সরকারের কাছে ১৬ দফা দাবি পেশ করছে ইউসিআরসি। জীবন জীবিকার ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। সঠিক পুনর্বাসনের লক্ষ্যে পাট্টা অনেকে পাননি। উদ্বাস্তু আন্দোলন পাট্টার দাবি জানাচ্ছে। সেই বিচারে এবারের সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ। 
এদিন সম্মেলনের মূল কাজ শুরু হয় গণসংগীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে। গণসংগীত পরিবেশন করেন ভারতীয় গণনাট্য সংঘ খরদহ শাখা। 
সম্মেলনে ১০ জনকে সম্বর্ধনা জানানো হয়। সম্বর্ধিতদের মধ্যে রয়েছেন তাহেরপুর পৌরসভার পৌরপ্রধান উত্তমা নন্দদাস এবং ঝন্টু দে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ইউসিআরসি প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল। সেই প্রতিযোগিতার প্রথম ভবতোষ পাল দ্বিতীয় প্রসূন দত্তরায় তৃতীয় হন ডাঃ প্রণব বর্মন। 
রাজ্য সম্মেলন চলবে রবিবার পর্যন্ত। রবিবার প্রকাশ্য সমাবেশ হবে।

Comments :0

Login to leave a comment