East Bengal Women

শীর্ষস্থান দখলের ম্যাচ ইস্টবেঙ্গলের সামনে

খেলা

শুক্রবার আইডব্লিউএলে শীর্ষ দু’দলের লড়াই। কল্যাণী স্টেডিয়ামে লিগ তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইস্টবেঙ্গলের সামনে শীর্ষে থাকা নীতা এফএ। লাল হলুদের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলে ১০ পয়েন্ট নীতা এফএ’র। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গলের তিন ম্যাচে নয় পয়েন্ট। এই ম্যাচ অ্যান্থনির দল জিতলে, নীতাকে সরিয়ে শীর্ষে উঠে আসবে। 
মঙ্গলবার ম্যাচ খেলেই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ফের খেলতে নামতে হচ্ছে ফাজিলা, সৌম্যাদের। সাফ থেকে টানা খেলছে ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলাররা। পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাননি ফাজিলারা। লিগের টাইট সূচি নিয়ে ফের মুখ খুললেন অ্যান্থনি। তিনি বলেন, ‘আমরা একা বললে কোনও লাভ হবে না। সব দল ক্রীড়াসূচি নিয়ে আপত্তি জানালে হয়তো কিছু হতে পারে। তাই আমাদের নিয়ন্ত্রণে যা রয়েছে তার উপরেই মনোনিবেশ করতে চাই।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘বাকিদের চেয়ে আমাদের অনেক বেশি ম্যাচ খেলতে হয়েছে। আমাদের প্রস্তুতিও শুরু করতে হয়েছিল অনেক আগে। দুই দিন অন্তর ম্যাচ খেলতে হওয়ায় সকলেই খুশি। কিন্তু আমি জানি চতুর্থ এবং পঞ্চম রাউন্ডের পরে অন্যান্য ক্লাবগুলিও ক্রীড়াসূচি নিয়ে অভিযোগ জানাবে।’
সেসা এফএ হারিয়ে লিগে ইতিমধ্যেই জয়ের হ্যাটট্রিক সেরে ফেলেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। শেষ ম্যাচে ন’ গোলে জয়। ক্লান্তির কথা এবং ফুটবলারদের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলানো নিয়ে ইস্টবেঙ্গল কোচ বলেন, ‘এএফসি থেকে সাফ—প্রত্যেকেই দলের সঙ্গে প্রচুর ট্র্যাভল করতে হয়েছে। এই মুহূর্তে আমার প্রধান চিন্তা ফুটবলারদের ফিটনেস। কারণ, বিশ্রাম নিয়ে তরতাজা হয়ে ওঠার মতো পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা ম্যাচ ধরে ধরে ভাবছি। প্রথম দু’টি ম্যাচে আমাদের অনেক সমস্যা হয়েছিল। কারণ, প্রস্তুতির পর্যাপ্ত সময় পাইনি। প্রচুর ট্র্যাভল করতে হয়েছিল। আমাদের খেলাতেই প্রকট হয়ে উঠেছিল। তৃতীয় ম্যাচে অনেক চাপমুক্ত হয়ে খেলতে পেরেছি। আমাদের লক্ষ্যই ছিল বড় ব্যবধানে জেতা। সেটাই আমরা করতে পেরেছি। আমরা চাই প্রথম পর্যায়ে যত বেশি সম্ভব ম্যাচ জিততে। কারণ, দ্বিতীয় পর্যায়ের খেলা হবে দু’মাস পরে। ফলে ভুলত্রুটি শুধরে নেওয়ার প্রচুর সুযোগ পাব।’
নীতা এফএকে সমীহ করে অ্যান্থনি বললেন, ‘এই ম্যাচ অবশ্যই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই ম্যাচটাই সব নয়। এর পরে আমাদের আরও তিনটি খেলা রয়েছে। ওরা এখনও পর্যন্ত ১৩টি গোল করে শীর্ষ স্থানে রয়েছে। গোল খেয়েছে মাত্র ২ গোল। সকলেই জানি নীতা এফএ’র রক্ষণ ভেঙে গোল করা খুবই কঠিন। ২০২৬ সালের প্রথম ম্যাচে বাড়তি চাপ নিয়ে খেলতে চাই না। তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়তে চাই। তবে ওদের পক্ষেও ম্যাচ সহজ হবে না।’
লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামার আগে দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার সুস্মিতা লেপচা বললেন, ‘আগের ম্যাচেও আমরা একটা দল হিসাবে খেলেছি। একে অপরকে সাহায্য করেছি। এই ম্যাচেও একই ভাবে খেলব। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে খেলার কোনও প্রশ্নই নেই। তাই কোনও ম্যাচকেই হাল্কা ভাবে নিচ্ছি না। আমাদের লক্ষ্য খেতাব ধরে রাখা।’

Comments :0

Login to leave a comment