‘গণশক্তি’ একটি ভিন্ন ধাঁচের পত্রিকা। দেশ বিদেশের কথা থাকার পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রামের কথা পত্রিকায় উত্থাপিত হয়। দেশে এবং রাজ্যে এখন বিভাজনের প্রতিযোগিতা চলছে। ভাষা, ধর্ম জাতের নামে চলছে বিভাজন। শ্রমজীবী মানুষের লড়াই দুর্বল করার জন্য এই জাতের বজ্জাতি চলছে। তাকে প্রতিরোধ করতে হবে।
কলকাতায় প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবনে ‘গণশক্তি’-র ৬০ বছরে পা দেওয়ার অনুষ্ঠানে এই আহবান জানালেন প্রবীণ কমিউনিস্ট নেতা বিমান বসু। তিনিই এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন।
তিনি বলেছেন, বিজেপি ধর্মের বজ্জাতি করে, তৃণমূল একই কাজ করে। মানুষকে বিভক্ত করার কাজ করে।
তৃণমূল এখন জীবিত মানুষদের দেখাচ্ছে যারা ‘মৃত’ খসড়া তালিকায়। ভাবতে হবে তৃণমূলের বিএলএ কী করছিল। তাদের কী পরিকল্পনা ছিল জীবিতদের নাম বাদ দেওয়া?
বসু বলেন, ধর্ম নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছে । কেন রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকার টাকা খরচ করে মন্দির তৈরি করবে?
১৯৫৪ সালে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন শুরু হয়। নেহেরু ইন্দোনেশিয়ার সেই সম্মেলনে ছিলেন। কায়রো তে দ্বিতীয় সম্মেলন হওয়া বিষয় ঠিক হয়। সেই সময় বিমান চলাচলের জন্য জায়গা বাড়াতে গেলে সরকার একটি মসজিদ সরিয়ে দেয়। বলা হয় সরকার নতুন করে করার জন্য টাকা দেবে। মৌলবীরা সেই সময় বলেন এই কাজের জন্য কোন জমি টাকা সরকারকে দিতে হবে না। নিজেরা পয়সা তুলে মসজিদ তৈরি করে।
তিনি বলেন, আমরা দেখছি এখন হিডকোর জমিতে মন্দির হচ্ছে। সরকারের টাকায় হচ্ছে। তৃণমূল বিজেপি ধর্ম ও রাজনীতিকে মিশিয়ে চলতে চায়। মানুষের সাথে জীবন্ত সম্পর্ক আমাদের গড়ে তুলতে হবে। এদের আসল পরিচয় সামনে আনতে হবে। মানুষের ঐক্য সম্প্রীতির মেলবন্ধন গড়ে তোলা গণশক্তি-র জরুরি কর্তব্য।
Comments :0