বিশ্বকাপ ফুটবল দেখছে বিশ্ব। সে সময়েই ফুটবল মাঠ বাঁচাতে লড়ছে মুম্বাই।
বান্দ্রার নেভিল ডিসুজা ফুটবল গ্রাউন্ডে থাবা বসাচ্ছে বৃহণ্মুম্বাই কর্পোরেশন। খেলার মাঠ বদলে ফেলা এক্সিবিশন ও কনভেনশন সেন্টার তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে কর্পোরেশনের ইমপ্রুভমেন্ট কমিটি। প্রতিবাদে নেমেছেন ফুটবলার থেকে কোচ, নেমেছেন নগরবাসীদেরও একাংশ।
মুম্বাইয়ে পরপর একাধিক বড় মাঠ গায়েব হয়ে গিয়েছে। খেলাধুলো থেকে শরীরচর্চার সুযোগ কেড়ে লাগানো হয়েছে বাণিজ্যিক কাজে। সেই তালিকায় রয়েছে বিখ্যাত সেন্ট জেভিয়ার্স গ্রাউন্ডও।
বান্দ্রা ওয়েস্টের নেভিল ডিসুজা ফুটবল গ্রাউন্ডে জড়িয়ে রয়েছে প্রায় ৮-১০ হাজার খেলোয়াড়। একাধিক ক্রীড়া ওয়েবসাইট জানাচ্ছে, রয়েছে ৪০০টি যুব দল, ৩০০টি সিনিয়র ডিভিশন ক্লাবও। প্রায় ৮,৪৫০ স্কোয়ার ফুটের এই মাঠের নামকরণ হয়েছিল জাতীয় দলের খেলোয়াড় নেভিড ডি সুজার নামে যিনি ১৯৫৬’র মেলবোর্ন অলিম্পিকে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। এই মাঠে স্থানীয় লিগের বড় ম্যাচও হয়।
গত ২৪ জুন কর্পোরেশনের ইমপ্রুভমেন্ট কমিটি মাঠে এক্সিবিশন কাম কনভেনশন সেন্টার গড়ার প্রস্তাব দেয়। সেকথা জানানজানি হতেই ছড়াতে থাকে বিক্ষোভ। গত ২৯ জুন ক্রীড়ামোদীরা এই দপ্তরের সামনে বিক্ষোভে শামিলও হয়েছিলেন।
চিন্তা আরও বেড়েছে কারণ মুম্বাই ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে দেওয়া এই মাঠের লিজের মেয়াদ ফুরিয়েছে ২০২৩ সালে। নতুন করে আর দেওয়া হয়নি লিজ। খেলাধুলো বন্ধ না হলেও আশঙ্কা থেকে গিয়েছে।
নাগরিকদের অনেকেই বলছেন, কনভেশনশন সেন্টারের জন্য আরও জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে। কিন্তু সরগরম এত বড় খেলার মাঠে কেন করতে হবে নির্মাণযজ্ঞ!
Neville D’Souza Football Ground
বিশাল ফুটবল মাঠ বাঁচাতে লড়ছে মুম্বাই, থাবা বাড়াচ্ছে কর্পোরেশন
নেভিল ডিসুজা ফুটবল গ্রাউন্ড। ছবি মাঠ বাঁচানোর আবেদনে মুম্বাই সিটি এফসি’র পোস্ট থেকে।
×
Comments :0