মণিপুরে হিংসায় ঘরছাড়া বাসিন্দাদের মধ্যে ৭৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে ত্রাণ শিবিরে। ২০২৩’র মে থেকে মেইতেই এবং কুকি জনগোষ্ঠীর সংঘাতে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।
তথ্যের অধিকার আইনে মণিপুরের ত্রাণ শিবির সম্পর্কিত প্রশ্ন জানতে চান রাজনৈতিক কর্মী এবং লেখক হরেশ্বর গোস্বামী।
মণিপুরে স্বরাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এখনও ৪৩ হাজার মানুষ ঘরছাড়া রয়েছেন। কাঙ্গপোকপি জেলায় ঘরছাড়া মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ১৫ হাজার ৬৯৪। চুরাচাঁদপুরে এই সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়ে।
স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী দুই জাতিগোষ্ঠীর হিংসায় নিহত অন্তত ২৪৮। তার মধ্যে বিষ্ণুপুর জেলায় মৃত ১৫১, কাঙ্গপোকপিতে ১২৮, ইম্ফল পশ্চিমে ৯৪।
তথ্যের অধিকার আইনে দায়ের আবেদনের ভিত্তিতে জানানো হয়েছে যে বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরে ২৫ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। চারজনের মৃত্যু হয়েছে জলে ডুবে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১ জন, যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হওয়া মানুষের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগজনক ছবি সামনে এসেছে। ইম্ফল পূর্ব জেলায় ২১৭ জন কঠিন রোগে আক্রান্ত। ইম্ফল পশ্চিমে এমন রোগীর সংখ্যা ৪১।
মণিপুরে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের মেয়াদেই হয়েছে ভয়ঙ্কর জাতি হিংসা। মেইতেই এবং কুকি সংঘাতের পিছনে বিজেপি’র ভূমিকাকে দায়ী করেছে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশ।
Manipur Relief Camp
মণিপুরে হিংসায় ঘরছাড়া ৭৩১ জনের মৃত্যু ত্রাণ শিবিরে
×
Comments :0