INDIA Brittas

কংগ্রেসের ভূমিকায় আপত্তি, ‘ইন্ডিয়া‘ মঞ্চের ভূমিকা জরুরি: বৈঠক প্রসঙ্গে ব্রিটাস

জাতীয়

‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের বৈঠকে নেতৃবৃন্দ।

‘ভোটচুরি‘ নিয়ে দেশের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলো ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চ। প্রায় দু’বছর পর হয়েছে এই বৈঠক। কংগ্রেস জানিয়েছে যে বিরোধী ২৫টি দল এদিন বৈঠকে অংশ নিয়েছে। 
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে শিক্ষা মন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চলবে। 
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এক বার্তায় জানিয়েছেন যে প্রতি দু’মাস অন্তর ‘ইন্ডিয়া‘ মঞ্চের বৈঠক হবে। পরের বৈঠক হবে হায়দরাবাদে। 
‘ইন্ডিয়া‘ মঞ্চের বৈঠকের আগে কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর আপত্তি জানিয়েছে সিপিআই(এম)। মল্লিকার্জুন খাড়গেকে চিঠি পাঠান সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি। গত ৫ জুন লেখা চিঠিতে বেবির ক্ষোভ, বাস্তবতা অনুযায়ী বিভিন্ন রাজ্যে ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের দলগুলিকে একে অন্যের বিরুদ্ধে লড়তে হতে পারে। কিন্তু কেরালায় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা লাগাতার সিপিআই(এম)-কে আক্রমণ করে বিজেপি-র সঙ্গে বোঝাপড়া করার অভিযোগে। তিনি বলেন, ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চ তৈরিই হয়েছিল বিজেপি-র বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য। সিপিআই(এম) এই মঞ্চ গড়ার পিছনে আন্তরিক ভূমিকা নিয়েছে ধারাবাহিকভাবে। তারপর এমন অভিযোগ তুললে এই বৈঠকের অর্থ কী, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
কেরালায় নির্বাচনী প্রচারে লোকসভার বিরোধী দলনেতা তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বিরুদ্ধে ইডি তদন্তের দাবিও তোলেন। এই বিষয়গুলির ব্যাখ্যা না হলে ‘ইন্ডিয়া’-র প্রাসঙ্গিকতা প্রশ্নের মুখে পড়বে।
সোমবার বৈঠকের পর খাড়গে বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের বিপজ্জনক অর্থনৈতিক অবস্থা প্রসঙ্গে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকতে হবে। কর্মহীনতা, মূল্যবৃদ্ধি, কৃষকদের সঙ্কটের মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করতে হবে। 
এদিন বৈঠকে যোগ দেওয়ার সময় সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাস বলেন, ‘‘কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে আমাদের গুরুতর আপত্তি আছে। সেই বক্তব্য আমরা তুলছি।’’


ব্রিটস বলেন, ‘‘কেন্দ্রের সরকারের নীতি নিয়ে মানুষের ক্ষোভ চরমে। দেশের ভেতরে এবং বিদেশ নীতিতে বিপর্যয়কর ভূমিকা নিচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। ফলে এই সময়ে ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের দলগুলির বসে আন্দোলনে নামার রূপরেখা ঠিক করা জরুরি। এই সরকারের আক্রমণ প্রতিরোধ করা জরুরি।’’
ব্রিটাস বলেন, ‘‘একটি পর একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের ওপর বুলডোজার চালাচ্ছে এই সরকার। প্রতিটি নির্বাচন স্বচ্ছতা হারাচ্ছে। বিজেপি কেবল ক্ষমতাসীন দল থাকছে তা নয়। বিরোধী পরিসরও দখল করতে চাইছে। পশ্চিমবঙ্গে আমরা তা দেখছি। বিজেপি বিরোধী সব দলের এক জায়গায় আসা উচিত।’’
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে খাড়গে বলেন, ‘নিট’ এবং সিবিএসই পরীক্ষায় লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ বিপন্ন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। বৈঠকে যোগ দেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ন্যাশনাল কনফারেন্সের ওমর আবদুল্লা, পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি, তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জিও

Comments :0

Login to leave a comment