Left Rally on 2nd October

ধর্মতলা থেকে মিছিল বামপন্থীদের

রাজ্য কলকাতা

ধর্মতলায় মিছিলের আগে সভায় মহম্মদ সেলিম বলেন, এখানে একটা সংক্ষিপ্ত সভা। আজ মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন। আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং গণ আন্দোলনকে এক সূত্রে বেঁধে ১৯০ বছরের ঔপনিবেশিক শাসন শেষ করা গিয়েছিল। আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের ভিত্তি সংবিধান। আজ সেই সংবিধান মানুষের অধিকারকে শেষ করা হচ্ছে 
সার্বভৌমত্বকে শেষ করা হচ্ছে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কাছে মাথা নত করা হচ্ছে। স্বাধীনতার ঐতিহ্যকে ম্লান করা হচ্ছে। যারা স্বাধীনতার কথা বলেছে ঐকের কথা বলেছে বিজ্ঞান মনস্কতার কথা বলেছে, আজ সেই ধারাকে শেষ করছে বিজেপি।আমাদের যুক্ত রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে শেষ করছে। আগে বড়লোকদের ভোটাধিকার ছিল লড়াই করে আমরা ভোটাধিকার অর্জন করেছি। 
অনেক ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও কমিশন স্বাধীন ভাবে কাজ করেছিল। আজ গুয়ানেশ কুমারকে বসিয়ে সাংবিধানিক অধিকারকে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা। বিহারে বাংলায় এই কাজ করা হয়েছে। 
আমরা বলেছিলাম এস আই আর কোন সাংবিধানিক ব্যবস্থা নয়। নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু এখানে অমিত শাহের নীতি অনুযায়ী মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। 
আমাদের রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প গুলো কর্পোরেটদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। মানুষের সাধারণ অধিকার গুলো তুলে নেওয়া হচ্ছে। এটা ফ্যাসিস্ট শক্তির নিদর্শন। ওরা বিভাজন করছে। আমরা এই বিভাজনের বিরুদ্ধে লড়ব।
যত নাম বাদ গিয়েছে তাদের ভোটাধিকার ফেরত দিতে হবে, এর প্রধান কাজ হচ্ছে জ্ঞানেস কুমারকে অপসারণ করতে হবে। সংঘ পরিবারের কথায় সে কাজ করেছে। অনেক বামপন্থীরা মানুষের অধিকারের দাবিতে শহীদ হয়েছে। 
আমরা নেতাজির মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছিলাম ওরা এখন বলছে যেতে দেবে না। 
প্রতিদিন সংঘ পরিবারের নাম করে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাণ্ডব চালাচ্ছে। 
আমরা বামপন্থীরা গোটা দেশে ভগৎ সিংহের জন্মদিন থেকে গান্ধীর জন্মদিন পর্যন্ত ভোটাধিকার ফেরানোর দাবিতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছি। যৌবন আজ বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। তাদের দমাতে চাইছে। ব্রিটিশরা চেষ্টা করেও পারেনি। 
১০০ বছর আগে পথের দাবি নিষিদ্ধ করেছিল ব্রিটিশরা। প্রতিবাদকে কখনও দমানো যায় না।

Comments :0

Login to leave a comment