road disrepair

১৭ কোটি টাকায় তৈরি ১৩ কিমি রাস্তা একবছরেই বেহাল

জেলা

চোখের সামনেই লুঠ চলেছে। পাঁচ বছর আগে বরাদ্দ হয়েছিল ১৭ কোটি টাকা। সেই ১৩ কিমি রাস্তা এখন জীবন ঝুঁকি নিয়ে যাতয়াত করেন প্রায় ৭৪ টি মৌজার মানুষ। সড়ক রাস্তা নির্মাণ চলাকালীনই এলাকার মানুষ তখনই বিক্ষোভ দেখায়। তৃণমূলী শাসনে সাজানো মামলার হুমকিতে  প্রতিবাদীদের চুপ করিয়ে রাখে। আর সেই রাস্তা নির্মাণের এক বছর পার হতে না হতে বেহাল আকার নেয়। তা বর্তমানে আরও বেহাল। সরকার পরিবর্তনের পর সুরাহার আশায় এলাকার মানুষ। কিন্তু আদৌ কী সেই বেহাল রাস্তার সুরাহা হবে এই বর্ষার সময়ে প্রশ্ন এখন গ্রামে গ্রামে।
এমনই দৃশ্য, চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের মনোহরপুর এক ও মনোহরপুর দুই এমন দুই গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার সঙ্গে পাশাপাশি আরও কয়েকটি  গ্রামে।
বর্তমানে রাস্তার হাল এতটাই বেহাল যে ছোট বড় গর্তে পরিণত হয়েছে রাস্তা। বৃষ্টি হলেই রাস্তা পুকুরে পরিণত হয়। বেহাল গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক দিয়েই প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় গ্রামের মানুষজনকে। ছোট চার চাকার গাড়ি থেকে অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত প্রবেশ করে না এই রাস্তায়। স্কুল কলেজ পড়ুয়াদের যাতায়াত করতে হয় সাইকেল চালিয়ে এমন খানাখন্দের রাস্তায়।
মনোহরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাপুর এলাকায় একটি খালের উপর যাতায়াতের ব্রিজটি দীর্ঘ কয়েক বছর আগে ভেঙে পড়ে। সেই ব্রীজের কাজ শুরু হলেও দীর্ঘ সাত মাস কাজ বন্ধ। এর পিছনে তৃণমূলের কাটমানির কারণ বলে এলাকার মানুষের অভিযোগ। ফলে আরও সমস্যা পড়েছে  খাঁপুর, গাংচা হিরোধরপুর সহ একাধিক মৌজার মানুষ। মনোহরপুর থেকে চাঁদর যাওয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীন সড়ক রাস্তার এমন বেহাল দশা থেকে মুক্ত হতে নতুন সরকার কী পদক্ষেপ নেবে তাও অজানা স্থানীয় মানুষের। ফলে এই বর্ষায়ও জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হবে এলাকার মানুষকে। সমস্যায় কৃষি প্রধান এলাকার কৃষকদের। কৃষির উপকরণ সার বীজ সংগ্রহ করতে সমস্যা যেমন, তেমনই ফসল বাজারজাত করাও সমস্যা। দুই সংকোটে জেরবার গ্রামের মানুষ।

Comments :0

Login to leave a comment