রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামি লিগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ২২ বছর পূর্ণ হলো। ২০০৪ সালের এই দিনে বিকেলে মুহূর্মুহূ গ্রেনেড বিস্ফোরণে রক্তাক্ত হয়ে উঠেছিল রাজধানীর ব্যস্ততম রাজনৈতিক এলাকা। একের পর এক বিস্ফোরণে প্রাণ হারান আওয়ামি লিগের মহিলা শাখার সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন।
কিন্তু এমন ভয়ঙ্কর হিংসায় জড়িতদের একের পর এক জেলমুক্তি হয়েছে গত কয়েক বছরে। বস্তুত শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু অ্যাভেনিউয়ে গ্রেনেড কাণ্ডে দোষীদের সাজা মকুব হয়েছে। ২০২৪’র ৫ আগস্ট গণ অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়তে হয় হাসিনাকে। ওই বছরের ডিসেম্বরে হাইকোর্ট সাজা মকুবের রায় দেয়। হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে আপিল বিভাগ।
আহত হন কয়েকশ নেতা-কর্মী ও সমর্থক। তাঁদের অনেকে স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে যান।
সেদিনের সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হয় গ্রেনেড হামলা। তিনি নিজেও আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, অল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক গ্রেনেড বিস্ফোরণে সমাবেশস্থল পরিণত হয় বিভীষিকাময় মৃত্যুপুরীতে। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন মানুষ; আহতদের উদ্ধারে স্বজন, নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ ছুটে যান।
প্রতি বছর ২১ আগস্ট আওয়ামি লিগ ও সহযোগী সংগঠনগুলি বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নিহত ও আহতদের স্মরণ করে। শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা ও স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও দিনটি স্মরণ করে। ধিক্কার জানায় হিংসাকে।
Grenade Attack Dhaka
সাজা মকুব হলেও ঢাকায় গ্রেনেড হামলার ভয়ঙ্কর স্মৃতি মুছে যায়নি
বাইশ বছর আগে ঢাকায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে এই দিনে বিস্ফোরণের পরের ছবি।
×
Comments :0