CEO west bengal

সুষ্ঠু তালিকা বের না করেই সুষ্ঠু ভোটের দাবি সিইও’র

রাজ্য

বের হয়নি সুষ্ঠু ভোটার তালিকা। বিবেচনাধীন ষাট লক্ষের বেশি মানুষ। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ১৬ দিন পরও বের হয়নি কোনও সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। অথচ রাজ্যের সিইও’র দাবি প্রত্যেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
রবিবার পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যে ভোট ঘোষণা হয়েছে। লাগু হয়েছে আচরণ বিধিও। সোমবার দিন স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল। তিনি জানিয়েছেন, "রাজ্যে মোট ৮০ হাজার ৭১৯ টি পোলিং স্টেশন রয়েছে। যার মধ্যে শহরে রয়েছে ১৯৭০৮ টি এবং গ্রামীণ রয়েছে ৬১ হাজার ১১ টি।" 
সিইও বলেছেন, ‘‘নির্বাচন সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিকভাবেই করা হবে। প্রত্যেক ভোটারের ভোটদানের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।’’ 
তিনি জানিয়েছেন যে প্রতি বুথে সমস্ত বাড়িতে গিয়ে বিএলও-রা নির্বাচন কমিশনের ভোটার স্লিপ দেবেন। গোটা রাজ্যে প্রত্যেকটি ভোটার নির্বাচন কমিশনের স্লিপ পাবে। 
প্রত্যেক ভোটের আগেই এই ঘোষণা। তা আদৌ নতুন নয়। কিন্তু ভোটের দিন দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকলেও বুথ দখল হয়ে যাচ্ছে। 
সিইও বলেছেন, ‘‘ভোটের সময় বুথের বাইরে ভিতরে একশো শতাংশ ওয়েব কাস্টিং করা হবে। ওয়েব কাস্টিং তিন স্তরে মনিটরিং করা হবে। আরও অফিসে প্রথম ধাপের মনিটরিং চলবে। তার পরের ধাপের মনিটরিং চলবে ডিও অফিসে। কেন্দ্রীয়ভাবে সিইও অফিস থেকে এই মনিটারিং চলবে। এছাড়াও স্পর্শকাতর এলাকা ও বুথগুলিতে ড্রোনের ব্যবহার করা হবে। 
তিনি জানান যে ভোটার পরিচয়পত্র ছাড়াও ১২টি নথি দিয়ে ভোট দেওয়া যাবে। ১২-ডি ফর্মের মাধ্যমে ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে এবং ৪০ শতাংশ বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের বাড়ি থেকে ভোট সংগ্রহ করা হবে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে। 
সিইও জানিয়েছেন গোটা পশ্চিমবঙ্গে ২৮টি পুলিশ জেলা ৬টি পুলিশ কমিশনাররেট এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারেট রয়েছে। প্রতি পুলিশ জেলার জন্য দু’জন করে পুলিশ অবজারভার এবং প্রতিটি পুলিশ কমিশনারেটের জন্য দু’জন করে পুলিশ অবজারভার রাখা হবে। কলকাতা পুলিশের এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী অবজারভার নিয়োগ করা হবে। কতজন তা পরবর্তীকালে ঠিক করা হবে। 
মনোজ আগরওয়ালের দাবি, প্রতি দফা নির্বাচনের জন্য ২২০০ থেকে ২৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন হতে পারে। 
সাংবাদিক সম্মেলনের সিইও কে প্রশ্ন করা হয় ৬০ লক্ষ বিচারাধীনের মধ্যে ২০ লক্ষের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করছে কমিশন। বাকি ৪০ লক্ষের নিষ্পত্তি কতদিনের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে? আগরওয়াল বলেন, সমস্ত বিচারাধীন ভোটারের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই তা চূড়ান্ত তালিকায় গিয়ে যুক্ত হবে। তাঁর দাবি, ৩০ মার্চের মধ্যে ৬০ লক্ষেরই নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, নিষ্পত্তি মানেই চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকা নয়। বাদ দেওয়া হলেও আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে ধরে নেওয়া হবে।

Comments :0

Login to leave a comment