কর্মসংস্থানের দাবিকে সামনে রেখে রাজ্যের সমস্ত জেলার সরকারি দপ্তরের সামনে ৯ জুন মিছিল ও সমাবেশের ডাক দিয়েছে ডিওয়াইএফআই। ওই দিনই ডিওয়াইএফআই- এর প্রতিষ্ঠা দিবস।
ওই দিন রাজ্যের সমস্ত বেকারদের একজোট করে, কর্মসংস্থানের দাবির পাশাপাশি হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে পুনর্বাসনের জন্য, বৈধ ভোটারের নাম ভোটার লিস্টে তোলার দাবিতে রাজ্যের সমস্ত জেলার ডিএম অফিস, রেলের দপ্তর সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দাবি সনদ পেশ করবে ডিওয়াইএফআই - মঙ্গলবার দীনেশ মজুমদার ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এমনটাই জানায় ডিওয়াইএফআই নেতৃত্ব।
যুব নেতৃবৃন্দ বলেন, পট পরিবর্তনের পরেও বেকারদের কর্মসংস্থানের সঠিক কোন দিশা নেই রাজ্যে। সাংবাদিক সম্মেলনে ছিলেন ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি সাহা, সভাপতি অয়নাংশু সরকার সহ ডিওয়াইএফআই নেতৃত্ব।
এদিনের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে ধ্রুবজ্যোতি সাহা বলেন, " রাজ্য এবং কেন্দ্রের সরকারি দপ্তরগুলিতে লক্ষ লক্ষ শূন্য পদ রয়েছে। সেই শূন্য পদ পূরণের জন্য রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের যে ভূমিকা নেওয়া দরকার তা আমরা দেখতে পাচ্ছি না। এক সময় কেন্দ্রের শ্রমমন্ত্রী বার্ষিকী কর্মসংস্থানের সমীক্ষা প্রকাশ করতেন, বর্তমানে তাও প্রকাশ করা হয় না, কেন ? পরিকল্পনা মাফিক কর্মসংস্থানের চিত্রকে আড়াল করার জন্যই এই সমীক্ষাকে প্রকাশ্যে আনছে না শ্রম মন্ত্রক।
সিএমআই রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের বেকারত্বের হার ৯.২ % । শহরাঞ্চলে এই হার ১৩.৬%। পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের বেকারত্বের হার তুলনায় অনেকটাই বেশি। টোটো চালক থেকে পরিচারিকার কাজ করেন এমন যুবক- যুবতীদের কাজের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নেই । তাদের নিরাপত্তা দান করার দায়িত্ব রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের, এই দায়িত্ব থেকে তাঁরা প্রতিদিন সরে যাচ্ছে। ঝরাজ্যজুড়ে ঠিকা শ্রমিকেরা স্বল্প মজুরিতে শ্রম বেঁচতে বাধ্য হচ্ছেন। "
পাশাপাশি এদিনের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে সমস্ত শূন্য পদে নিয়োগ, এসএসসি ও পিএসসি সহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্বচ্ছ ভাবে নেওয়ার ব্যবস্থা করা, বই তো ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার ও দাবি জানানোর পাশাপাশি হকার উচ্ছেদ ও বুলডোজার রাজ টাইম করার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। সেইসঙ্গে ৯ জুন ডিওয়াইএফআই-র প্রতিষ্ঠা দিবসে রাজ্যের সমস্ত যুবককে একজোট করে ডিএম ও রেল দপ্তরে কর্মসংস্থান হকার উচ্ছেদ এবং বৈধ ভোটারদের ভোটার তালিকায় নাম সংযুক্ত করার দাবিতে 'দাবি সনদ পেশ' করা হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ঐদিন মিছিল ও সমাবেশেরও ডাক দেয়া হয়েছে ডিওয়াইএফআই -এর তরফ থেকে।
পাশাপাশি এদিনের সম্মেলন থেকে অয়নাংশু সরকার বলেন, " ১ জুন ডিওয়াইএফআই-র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক দীনেশ মজুমদারের জন্ম দিবসে প্র তিবছরের মতো এ বছরও ' দীনেশ মজুমদার স্মারক বক্তৃতা' অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি, ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে জল জমি জঙ্গল ধ্বংসের প্রতিবাদে বৃক্ষরোপণ ও বৃহত্তর পরিবেশ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। "
হকারদের একজোট করে, কর্মসংস্থানের দাবিকে সামনে রেখে, হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে পুনর্বাসনের জন্য, বৈধ ভোটারের নাম ভোটার লিস্টে তোলার দাবিতে ডিওয়াইএফআই তাঁদের 'দাবি সনদ পেশ' করবে। পাশাপাশি ওইদিন সব জেলার ডিএম অফিস, রেলে দফতরে, সরকারি আধিকারিকদের দপ্তরে বড় মিছিল ও সমাবেশের ডাক দিয়েছে ডিওয়াইএফআই ।"- মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এমনটাই জানান ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি সাহা।
পট পরিবর্তনের পরেও বেকারদের কর্মসংস্থানের সঠিক কোন দিশা নেই রাজ্যে। বর্তমান সময়ে বেকারদের দাবী কে সামনে রেখে মঙ্গলবার ডিওয়াইএফআই রাজ্য কমিটির তরফে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করা হয় । সেখানে উপস্থিত ছিলেন ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি সাহা, সভাপতি অয়নাংশু সরকার সহ ডিওয়াইএফআই নেতৃত্বে।
এদিনের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে ধ্রুবজ্যোতি সাহা বলেন, " রাজ্য এবং কেন্দ্রের সরকারি দপ্তরগুলিতে লক্ষ লক্ষ শূন্য পদ রয়েছে। সেই শূন্য পদ পূরণের জন্য রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের যে ভূমিকা নেওয়া দরকার তা আমরা দেখতে পাচ্ছি না। এক সময় কেন্দ্রের শ্রমমন্ত্রী বার্ষিকী কর্মসংস্থানের সমীক্ষা প্রকাশ করতেন, বর্তমানে তাও প্রকাশ করা হয় না, কেন ? পরিকল্পনা মাফিক কর্মসংস্থানের চিত্রকে আড়াল করার জন্যই এই সমীক্ষাকে প্রকাশ্যে আনছেনা শ্রম মন্ত্রক।
সিএমআই রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের বেকারত্বের হার ৯.২ % । শহরাঞ্চলে এই হার ১৩.৬%। পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের বেকারত্বের হার তুলনায় অনেকটাই বেশি। টোটো চালক থেকে পরিচারিকার কাজ করেন এমন যুবক- যুবতীদের কাজের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নেই । তাদের নিরাপত্তা দান করার দায়িত্ব রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারের, এই দায়িত্ব থেকে তাঁরা প্রতিদিন সরে যাচ্ছে। ঝরাজ্যজুড়ে ঠিকা শ্রমিকেরা স্বল্প মজুরিতে শ্রম বেঁচতে বাধ্য হচ্ছেন। "
পাশাপাশি এদিনের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে সমস্ত শূন্য পদে নিয়োগ, এসএসসি ও পিএসসি সহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষা স্বচ্ছ ভাবে নেওয়ার ব্যবস্থা করা, বই তো ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার ও দাবী জানানোর পাশাপাশি হকার উচ্ছেদ ও বুলডোজার রাজ টাইম করার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। সেইসঙ্গে ৯ জুন ডিওয়াইএফআই-র প্রতিষ্ঠা দিবসে রাজ্যের সমস্ত যুবককে একজোট করে ডিএম ও রেল দপ্তরে কর্মসংস্থান হকার উচ্ছেদ এবং বৈধ ভোটারদের ভোটার তালিকায় নাম সংযুক্ত করার দাবিতে 'দাবি সনদ পেশ' করা হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ঐদিন মিছিল ও সমাবেশেরও ডাক দেয়া হয়েছে ডিওয়াইএফআই -এর তরফ থেকে।
এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে শিল্প প্রসঙ্গে ডিওয়াইএফআই রাজ্য সরকারের কাছে, কি দাবি রাখছে জানতে চাইলে ধ্রুবজ্যোতি সাহা বলেন," শিল্প চাই কাজ চাই বামপথে বাংলা চাই, এই দাবিকে সামনে রেখে বন্ধ কারখানার সামনে থেকে আমরা মিছিল করেছি। বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে শুরু করে হুগলি জেলার মাদার ডেয়ারির দুধের কারখানা পর্যন্ত মিছিল ও সভা হয় । রাজ্য সরকারের কাছে আমাদের দাবি, বন্ধ কারখানা গুলো খোলা হোক। নতুন কলকারখানা তৈরি করা হোক। বামফ্রন্ট সরকারের সময় কলকারখানা তৈরির জন্য যে জমিগুলি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল , সেখানে তৃণমূল সরকার কোনরকম কারখানা গড়ে তোলার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সরকারের কাছে আমাদের দাবি অধিগৃহীত জমিগুলোতে নতুন কারখানা গড়ে তোলা হোক। "
Comments :0