প্রাথমিকে ৩২ হাজার চাকরি বহালের নির্দেশ দিয়েছিলো কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হলেন মূল মামলাকারীদের একাংশ। তাঁদের তরফে দেশের শীর্ষ আদালতে স্পেশ্যাল লিভ পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি থাকায় ২০২৩ সালে তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রায় ৩২ হাজার শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ চাকরি বাতিলের নির্দেশ খারিজ করে দেন। তাদের পর্যবেক্ষণ ছিল, প্রায় ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করতে পর্যাপ্ত প্রমাণ প্রয়োজন। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে যে বিপুল দুর্নীতি হয়েছে তার প্রমাণ সিবিআইয়ের তদন্তেও উঠে আসেনি। এছাড়াও একসঙ্গে এতজন শিক্ষকের চাকরি বাতিল হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রভাব পড়বে।
মামলাকারীদের একাংশ বক্তব্য দুর্নীতির প্রমান থাকার পরও কেন মানবিকতার যুক্তিতে চাকরি বহাল রাখা হয়েছে, যা আইনসঙ্গত নয়। তাই ডিভিশন বেঞ্চের রায় পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। মার্চের প্রথম সপ্তাহেই সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
Comments :0