বাড়িতে না থাকার সুযোগ নিয়ে এবার সাংবাদিকের বাড়িতে দুঃসাহসের চুরি। প্রায় কুড়ি লক্ষ টাকার সোনার অলংকার সহ প্রাচীন কাঁসা-পিতল অন্যান্য ধাতুর বাসন লুটপাট করে দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয় নগদ টাকা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একই ভাবে লুটপাট করা হয়। বাড়িতে ফিরে চক্ষু চরক গাছ সাংবাদিক পরিবারের। নদীয়ার কৃষ্ণনগর ১৬ নম্বর ওয়ার্ড বৌবাজার অরবিন্দ রোড এলাকার ঘটনা। পেশায় সাংবাদিক সুমিত দাসের দাবি, বিগত কয়েক মাস ধরে তার মায়ের শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ, চিকিৎসার জন্য কলকাতার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত ছুটতে হচ্ছে তাঁকে। তিনি পেশায় সাংবাদিকতা করেন কলকাতাতেই। সেই কারণে কৃষ্ণনগরের বাড়ি তালা বন্ধ অবস্থায় ছিল। বৃহস্পতিবার বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন প্রথমে গ্রিলের তালা ভাঙ্গা। ভেতরে ঢুকে দেখেন বেশ কয়েকটি ঘর লন্ডভন্ড অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রাচীন পিতলের কলসি লকার ভেঙ্গে সাবেকি সোনার অলংকার, প্রাচীন ধাতুর বাসনপত্র এবং নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেদার লুটপাট করে দুষ্কৃতীরা। সুমিত দাসের অভিযোগ, ওই এলাকায় প্রায়শই বহিরাগতদের আনাগোনা লেগেই থাকে, শুধু তাই নয় জুয়ার আসর মদের আড্ডা সবকিছুই চলতে থাকে এলাকায়। সেই প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে প্রশাসনের নাকের ডগায়। তাঁর অনুমান এই চুরির ঘটনার সাথে নেশায় আসক্ত অসাধু ব্যক্তিরা জড়িত থাকতে পারে। পুলিশ সঠিক তদন্ত করলে দ্রুত কুল কিনারা খুঁজে বের করতে পারবে। যদিও দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় এখন সর্বস্বান্ত সাংবাদিক পরিবার, কি করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। বর্তমানে প্রশাসনের উপর আস্থা ছাড়া আর কোন উপায় নেই তাদের। অন্যদিকে একই এলাকার পৌরসভা পরিচালিত বিদ্যালয়ে ঘটে চুরির ঘটনা ঘটেছে। মিড ডে মিলের আসবাবপত্রসহ একাধিক জিনিসপত্র চুরির অভিযোগ। সম্প্রীতি সরকারি স্কুল এবং সাংবাদিক পরিবারের চুরির ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয় কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
Theft
চোরের তাণ্ডব কৃষ্ণনগরে, সরকারি স্কুল, সাংবাদিকের বাড়িতে লুট
×
Comments :0