পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ করতে হবে। বন্ধ করতে হবে শিক্ষার নামে ব্যবসা, শিক্ষায় দুর্নীতি। বাতিল করতে হবে জাতীয় শিক্ষানীতি-২০২০।
মঙ্গলবার কলকাতায় কলেজ স্ট্রিটে মিছিল এবং প্রতিবাদ সভা থেকে এই দাবি তুলেছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনসমূহ। তাঁরা বলেছেন, পতাকা পুড়িয়ে ছাত্র আন্দোলনকে দমন করা যাবে না।
এদিনও মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। শ্যামবাজার থেকে মিছিল শুরু হয়ে কলেজ স্ট্রিট পর্যন্ত আসার কথা ছিল। কিন্তু সেই মিছিলের অনুমতি দেয়নি পুলিশ।
দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের ফলে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এই আন্দোলন চলাকালীন পুলিশি হামলার মুখে পড়তে হয়ে বহু ছাত্রযুবকে। মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে অনেককে। মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি এবং পুলিশী বর্বরতার বিরুদ্ধে কলকাতায় মিছিল করল বামপন্থী ছাত্র সংগঠন সমূহ।
মঙ্গলবার কলেজ স্ট্রিট বাটা থেকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় মেন ক্যাম্পাস পর্যন্ত হয়েছে এই মিছিল। যোগ দেয় এসএফআই, এআইএসএ, এআইএসবি, এআইএসএফ, পিএসইউ, এআইডিএসও’র মতো ছাত্র সংগঠন একসঙ্গে করেছে এই মিছিল।
উল্লেখ্য, এদিনই কলকাতার বিক্ষোভে দিন ধৃত ১৬ জনকে জামিন দিয়েছে আদালত।
এসএফআই রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে বলেন, ‘‘দেশজুড়ে যেভাবে ছাত্র আন্দোলনের কর্মী, সমর্থক অভিভাবকদের মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। কলকাতাতেও হেনস্তা করা হয়েছে। আরেকদিকে দিল্লিতে এসএফআই’র যুগ্ম সম্পাদক ঐশী ঘোষকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ গিয়েছে। পুলিশের লাঠি, জলকামান এই আন্দোলনকে আটকাতে পারেনি।"
Comments :0