CEO CPI-M

প্রার্থীদের বলা হচ্ছে ‘নাম নেই‘, সিইও’র কাছে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ সিপিআই(এম)’র

রাজ্য বাংলা বাঁচানোর ভোট

প্রচারে দীপু দাস। কসবার এই সিপিআই(এম) প্রার্থীকে বলা হয় নাম নেই।

বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তির পর ভোটার তালিকা ৬ এপ্রিল ‘ফ্রিজ‘ হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। অথচ সিপিআই(এম)’র একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে গেলে বলা হয়েছে যে ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম নেই। বৃহস্পতিবার এই বিষয় নিয়ে সিইও দপ্তরে নির্দিষ্ট অভিযোগ জানিয়েছে সিপিআই(এম) প্রতিনিধিদল।
এদিন সিপিআই(এম)’র প্রতিনিধি দলে ছিলেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শমীক লাহিড়ী, রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলী সদস্য কল্লোল মজুমদার ও প্রবীণ সিপিআই(এম) নেতা সুখেন্দু পানিগ্রাহী। 
কমিশনের সঙ্গে দেখা করে সিপিআই(এম) নেতৃবৃন্দ বলেন, মানুষের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার হচ্ছে ভোটাধিকার। এই ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারো নেই। সিইও’র কাছে এর কোনও উত্তর নেই। 
শমীক লাহিড়ী জানান যে কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআই(এম) প্রার্থী দীপু দাস মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁকে বলা হয় যে তাঁর নাম ভোটার তালিকায় নেই। কিন্তু ঘটনা হলো তাঁর নাম গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ভোটার তালিকায় রয়েছে। ভোটার তালিকা দেখানোর পরও মনোনয়ন জমা নিতে রাজি হয়নি কমিশন। পরে রিটার্নিং অফিসার প্রার্থীকে বলেন যে ‘সার্ভার ডাউন‘ থাকার জন্য এই সমস্যা হয়েছে। সিপিআই(এম)’র অভিযোগ, রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব থেকেই এই কাজ করা হচ্ছে। তা’হলে কিভাবে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে? কসবার পাশাপাশি মহেশতলা, ফলতা, কুলপি বিধানসভার ক্ষেত্রেও এই একই সমস্যা দেখা গিয়েছে। নির্দিষ্ট অভিযোগ জানানো হয়েছে কমিশনকে। 
নির্বাচন কমিশন সিপিআই(এম) প্রতিনিধিদলকে বলেছে যে ভোটার তালিকার সমস্ত কাজ আদালতে নির্দেশে হচ্ছে। এখানেই শমীক লাহিড়ী প্রশ্ন করেন যে আদালতকে ঢুকতে হলো কেন কমিশনের কাজে। স্বাধীনতার পর কোনদিন ভোটার তালিকা তৈরি করতে বিচার ব্যবস্থাকে দায়িত্ব নিতে হয়নি। এটা তাদের এক্তিয়ারের মধ্যেই পড়ে না। ভোটার তালিকা তৈরি করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তারা তা করতে ব্যর্থ। এই কমিশনের হাতে কী করে গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকে!  
লাহিড়ী প্রশ্ন করেন যে ২৭ লক্ষের নাম বাদ গেল তাঁদের ট্রাইবুনালে আবেদন জানানো সংক্রান্ত গাইডলাইন কি নির্বাচন কমিশন দিয়েছে? তিনি বলেন, তার আগে যখন ভোটারদের নামে বিবেচনাধীন ছিল, তারা হন্যে হয়ে এদিক-ওদিক ছুটেছে। গ্রামের গরিব প্রান্তিক মানুষ জেলা শাসকের দপ্তরে গিয়ে দিনের পর দিন চক্কর কেটেছেন। এটা চলতে পারে না।

Comments :0

Login to leave a comment