আগামীকাল দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সাথে বৈঠক করবেন ঋতব্রত ব্যানার্জি সহ ৯ জন বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়ক। জানা যাচ্ছে বুধবারই দিল্লির উদ্দেশ্যে তারা রওনা দিচ্ছেন। এর আগে ঋতব্রতদের পক্ষ থেকে নিজেদের আসল তৃণমূল দাবি করে একাধিক নথি কমিশনকে মেইল করেছে। চাওয়া হয়েছিল দেখা করার জন্য সময়। বৃহস্পতিবার সেই সময় দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি তৃণমূলের জোড়া ফুল চিহ্নকে ব্যবহার করে একটি কনভেনশন করেন তারা। ছিলেন অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিমের মতো মমতার কাছের নেতারা। সেদিনের কনভেনশনে দেখা যায়নি মমতা বা অভিষেকের ছবি। তৈরি হয় জাতীয় কর্মসমিতি। চেয়ারম্যান হয়েছেন অরূপ রায়।
জানা যাচ্ছে আগামীকাল দেখা করে কমিশনের কাছে দলের প্রতীক এবং তহবিলের অধিকার তাদের দখলে রাখার আবেদন তারা জানাতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে কমিশন যদি ঋতব্রতদের আসল তৃণমূল বলে ঘোষণা করে তবে মমতা ব্যানার্জির হাত থেকে চলে যাবে দলের প্রতীক এবং তহবিল।
বিধানসভায় বিধায়কদের সই জাল নিয়ে তৃণমূলের ভাঙন স্পষ্ট হয়। কালীঘাটের পক্ষ থেকে বালিগজ্ঞের তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চ্যাটার্জির নাম বিরোধী দলনেতা হিসাবে পাঠানো হয় বিধানসভার সচিবের কাছে। অভিষেকের সই করা সেই চিঠিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় বিতর্ক। বিধানসভার পক্ষ থেকে বলা হয় যেই চিঠি তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে তাতে পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে। পরবর্তী সময় সামনে আসে বিধায়কদের সই জালের প্রসঙ্গ।
ঋতব্রত, সন্দীপন সাহা বিধানসভায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়ে আসেন যে ওই চিঠিতে বিধায়কদের সই জাল করা হয়েছে। সেদিনের বৈঠকে উপস্থিত না থাকা বহু বিধায়কের সই জাল করা হয়েছে। থানায় দায়ের হয় অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। এই সই জাল কান্ডের পর ঋতব্রত ব্যানার্জি এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করে তৃণমূল।
তারপরই ৫৮ জন বিধায়ক নিয়ে আলাদা পরিষদীয় দল গঠন হয় বিধানসভায় ভেঙে যায় তৃণমূলের পরিষদীয় দল। কালীঘাটের সিদ্ধান্তকে মান্যতা না দিয়েই ঋতব্রত ব্যানার্জিকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে মান্যতা দেন ওই ৫৮ জন বিধায়ক। আলাদত এবং বিধানসভার অধ্যক্ষ দুই পক্ষই ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।
TMC
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে ঋতব্রতরা, বৈঠক কমিশনের সাথে
×
Comments :0