cpim

ডানকুনিতে সিপিআই(এম) কর্মীকে মারধর, গ্রেপ্তারের দাবিতে সরব মীনাক্ষী

জেলা

সিপিআই(এম) কর্মীকে আক্রমণের প্রতিবাদে মীনাক্ষী মুখার্জি সহ উত্তরপাড়া বিধানসভা এলাকার নেতৃত্বরা ডানকুনি থানায়। ছবি: অভীক ঘোষ।

ডানকুনির রঘুনাথপুরে দেওয়াল লেখা নিয়ে অশান্তি। সিপিআই(এম) কর্মীকে মারধরের অভিযোগ তৃনমূলের বিরুদ্ধে। সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখার্জি ও উত্তরপাড়া বিধানসভা এলাকার সিপিআই(এম)'র নেতৃত্ব ও ডানকুনি এলাকার নেতৃত্ব সহ সিপিআই(এম)'র কর্মীদের নিয়ে লিখিত অভিযোগ জানান ডানকুনি থানায়। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের করার হুঁশিয়ারিও দেন।  

রঘুনাথপুরে একটি দেওয়াল চুন করাকে কেন্দ্র করে ঘটনা সূত্রপাত। গুরুতর জখম অবস্থায় প্রথমে চন্ডিতলা গ্রামীন হাসপাতাল পরে শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রদীপ দাসকে। ডানকুনির রঘুনাথপুর ২ নম্বর শাখার ৬৯ বুথের সিপিআই(এম) কর্মী প্রদীপ দাসকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও তার ভাই এই মারধরের ঘটনায় যুক্ত। অভিযোগ ডানকুনি এলাকার তৃণমূল নেতা সুভাষ রঙ ও তার ভাই সঞ্জয় রঙ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাস চালিয়ে আসছে। পুলিশকে অভিযোগ জানলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। আর এই ঘটনার পরেই আহত হন প্রদীপ দাস। তার চোখে আঘাত লেগেছে বলে জানা গিয়েছে।

আর এই ঘটনার পরেই মীনাক্ষী মুখার্জি ডানকুনি থানায় যান। তিনি পুলিশকে ২৪ ঘন্টা সময় বেঁধে দেন অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করার জন্য। মীনাক্ষী মুখার্জি এদিন বলেন, "পুলিশ গুন্ডাদেরকে মদত দিচ্ছে। তাই আজ আমরা এসে থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। আগামী দিনে পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয় তা দেখবো।" 
সিপিআই(এম) হুগলি জেলা সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ বলেন, "প্রতিনিয়ত তৃণমূলের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাচ্ছে আর তাই এই ঘটনাগুলো আরও বাড়ছে। আগামী দিনে মানুষ আরও বড় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তখন পিছু হাটতে হবে তৃণমূলকে।"


 

Comments :0

Login to leave a comment