বাহারিনের জুফাইর এলাকায় ঘন ধোয়ার স্তর দেখা যায়, ওই এলাকাতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের নৌঘাঁটি রয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে , পাল্টা হামলা চালাতেই ওই এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োগ করেছে ইরান।
ইজরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওই দেশটির উপর যৌথ সামরিক অভিযান চালানোর পরেই ইরান ওই ঘাঁটিটিতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োগ করে আঘাত হানে। যৌথ আক্রমণের পরেই, ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল উভয়ের বিরুদ্ধেই প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার কঠোর সতর্কতা জারি করে। ইরান প্রথমে ইসরায়েলে মোট ৩৫-৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এবং পরে মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ চালায়।
বাহরাইনের মার্কিন দূতাবাসের তরফে আগেই মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য সতর্ক করেছিল। পাশাপাশি, বাহরাইনের সাধারণ নাগরিকরা যাতে সতর্ক থাকতে পারেন সেই কারণে ওই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে সাইরেন ও চালু করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শুধুমাত্র বাইরানে থাকা মার্কিন সেনা ঘাঁটিতেই ইরান আঘাত হেনেছে এমনটা নয় পাশাপাশি, কাতার, কুয়েত এবং জর্দান সহ একাধিক অনান্য ঘাঁটিতেও ইরান মিসাইল প্রয়োগ করে আঘাত হানে। পাশাপাশি, ইরাকের বাগদাদে পপুলার মিলিটিয়া ফোর্স অর্থাৎ(পিএমএফ) যারা ইরান সমর্থিত আধাসামরিক গোষ্ঠী যারা ইরাকের অভ্যন্তরে কাজ করে। সেই ফোর্সের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলা চালায় । ওই হামলায় একজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন।
Comments :0