SIR Supreme Court Assembly List

এসআইআর: বাদ নামের বিধানসভা ভিত্তিক তথ্য চাইল সুপ্রিম কোর্ট

জাতীয়

এসআইআরে বাদ গিয়েছে নাম। কোন বিধানসভায় কতজন নাম তোলার আবেদন জানিয়েছেন তার তথ্য চাইল সুপ্রিম কোর্ট। 
জাতীয় নির্বাচন কমিশন, রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে এই তথ্য দেওয়া নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ডের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। 
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আবেদন বিবেচনায় ১৯টি ট্রাইবুনাল গড়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু ট্রাইবুনালে কাজের গতি নিয়ে হতাশা ছড়িয়েছে। 
শুক্রবার একটি জনস্বার্থ আবেদনের ভিত্তিতে শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে। তার ভিত্তিতে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে নতুন নামের অন্তর্ভুক্তি ও বাদ নামের খতিয়ানও বিধানসভা ভিত্তিতে দিতে হবে। 
ফর্ম ৬’র ভিত্তিতে নতুন নাম তোলার আবেদন এবং ফর্ম ৭’র মাধ্যমে নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানানো হয় কমিশনে। জনস্বার্থ আবেদনে বলা হয়েছে, ৯.৬৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছিল নাম নতুন করে তোলার জন্য। আর বিধানসভা ভোটের আগে ৯৯ হাজার আবেদন জমা পড়েছিল নাম বাদ দেওয়ার জন্য। কিন্তু চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নতুন নাম যোগ হয়েছে মাত্র ১.৮২ লক্ষ। 
আবেদনে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন কখনই নাম অন্তর্ভুক্তি বা নাম বাদ সংক্রান্ত তথ্য বিধানসভা ভিত্তিতে জানায়নি। সুপ্রিম কোর্ট এদিন সেই তথ্য জানানোরও নির্দেশ দিয়েছে। 
পশ্চিমবঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেসের এসআইআর বিষয়ক কমিটির প্রধান প্রসেনজিত বসু জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছেন। তাঁর পক্ষে আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ সওয়ালে বলেছেন, আবেদন যাচাইয়ের জন্য ট্রাইবুনালের কাজে প্রচুর দেরি হচ্ছে। নাম বাদ পড়ার কারণে অনেকে সরকারি ভাতা পাচ্ছেন না। রেশন এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও সমস্যা হচ্ছে। তিনি বলেন, ট্রাইবুনালে প্রায় ৩৩.৫ লক্ষ আবেদন পড়ে রয়েছে। যতটুকু বিবেচিত হয়েছে তার মধ্যে ৭০ শতাংশেরই নাম ভোটার তালিকায় তোলার দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। 
উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্ট পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত অন্য মামলায় সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিল যে নাম বাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রায় ৩৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে।  
আবেদনে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সি’ বা যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন ২০২৪’র ভোটের আগে ভোটার তালিকা প্রকাশ সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রকাশ করেছিল। কিন্তু এসআইআর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার শর্ত অমান্য করা হয়েছে।   
আবেদনে বলা হয়েছে যে ট্রাইবুনালে বাদ নাম কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানোর দায়িত্ব নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। কারণ মন্ত্রকই ঠিক করতে পারে কারও নাগরিকত্ব থাকা উচিত কিনা। 

Comments :0

Login to leave a comment