রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় পরিচয় যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বড়সড় স্বস্তি দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মাধ্যমিক বা দশম শ্রেণীর অ্যাডমিট কার্ডের সঙ্গে যদি পাসের শংসাপত্র থাকে, তবে সেটিকে বয়স ও অভিভাবকের পরিচয় প্রমাণের সহায়ক নথি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন। আদালত স্পষ্ট করে জানায়, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে একক পরিচয়পত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে পাসের শংসাপত্রের সাথে জমা দিলে এটি জন্মতারিখ এবং বাবা-মায়ের নাম যাচাইয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 'সাপ্লিমেন্টারি' বা সহায়ক নথি হিসেবে কাজ করবে।
রাজ্যে প্রায় ৮০ লক্ষ ভোটারকে এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানিতে ডাকা হয়। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার কথা। প্রকাশিত হবে চুড়ান্ত ভোটার তালিকা। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে ২৫০ জন জেলা বিচারকের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিসের অভিজ্ঞ বিচারকদেরও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কাজের চাপ সামলাতে ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের কাছে বিচারবিভাগীয় অফিসার চেয়ে পাঠানোর জন্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিভাবকের নামের বানান ভুল বা ভোটারের সাথে তাঁর বাবা-মায়ের বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম কিংবা ৫০ বছরের বেশি হওয়ার মতো সমস্যাগুলো খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা।
যে সমস্ত নথি এখনও আপলোড করা হয়নি কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জমা পড়েছে, সেই সব তথ্য আগামীকালের (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৫টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
Supreme Court SIR
মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড এবং সার্টিফিকেটকে মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট
×
Comments :0