Mathabhanga Hospital

গ্রেপ্তার মাথাভাঙা হাসপাতালে ‘থ্রেট কালচারে’ অভিযুক্ত

জেলা

অবশেষে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালের "থ্রেট কালচারের" অন্যতম কান্ডারী আলিবার হোসেন বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মাথাভাঙা থানার পুলিশের জালে কালিম্পংয়ের একটি রিসর্ট থেকে ধরা পড়লো। মহকুমা হাসপাতালে তৎকালীন সুপারের হয়ে থ্রেট কালচার চালাতো হাসপাতালের কনটাকচুয়াল এই কর্মী। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বিক্ষোভের জেরে জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিক জেলা শাসকের নির্দেশে গত ২৪ মে আলিবার হোসেনকে কর্মচ্যুত করেন। এবং সুপার ডাঃ মাদুদ হাসানকে অন্যত্র বদলি করে। এদিকে গত ৩০ মে হাসপাতালের আবাসনের একটি ফ্ল্যাট থেকে প্রচুর পরিমানে নিম্নমানের ওষুধ উদ্ধার হয়। এবং অন্য একটি ফ্ল্যাট থেকে (যেটি আলিবার হোসেন অবৈধ ভাবে ব্যবহার করতো) হাসপাতালের বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনের দুই ফ্ল্যাটে তল্লাসীতেই স্পষ্ট হয় আলিবার হোসেন শুধু সুপারের নির্দেশে হাসপাতালে থ্রেট কালচার চালাতো তাই নয়। হাসপাতালের স্টাফদের ফ্ল্যাট বেআইনী দখল করে নিম্নমানের ওষুধ সাপ্লাইয়ের ব্যবসাও করতো। ওই ঘটনার পর দিনই আলিবার হোসেনের বিরুদ্ধে মাথাভাঙা থানায় মামলা দায়ের করে মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
মামলা দায়ের করার পরেই মাথাভাঙা থানার পুলিস অভিযুক্তের মোবাইল ট্র্যা্ক করার চেষ্টা করে। তবে সুইচ অফ থাকায় অবস্থান বুঝতে অসুবিধা হয় পুলিশের। বৃহস্পতিবার মোবাইল অন করলেই পুলিশ বুঝতে পারে কালিম্পংয়ে অবস্থান করছে আলিবার হোসেন। এরপরেই মাথাভাঙা থেকে পুলিশের একটি দল কালিম্পংয়ের রিসর্টে হানা দিয়ে আটক করে শুক্রবার সকালে মাথাভাঙায় নিয়ে আসে। এদিনই ধৃতর মেডিকেল চেকআপের পর তাকে মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ৭ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেন।
ধৃতের বিরুদ্ধে হাসপাতাল চত্বরে বেআইনী ওষুধ মজুত করা ও বিক্রি করা, বিশ্বাসভঙ্গ, বেআইনীভাবে প্রাপ্ত সামগ্রী সংরক্ষণ এবং ওষুধ সংক্রান্ত আইনের বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

Comments :0

Login to leave a comment