মঙ্গলবার বারাসাত ২ বিডিও অফিসে এসআইআর’র নামে জনগনের হেনস্থার প্রতিবাদ করতে গেলে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা সিপিআই(এম) কর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। হামলা চলে পুলিশের সামনেই। সিপিআই(এম) উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আহমেদ আলি খান আহমেদ আলি খান সহ অনেক কর্মী আহত হয়েছেন। তাঁদের বারাসাত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিন ঘটনাটি ঘটেছে বারাসত ব্লক ২ বিডিও অফিস বাগমান সাইবেরিয়ায় উর্দিধারী পুলিশের সামনেই। পুলিশ ঘটনার সময় ছিল নিরব দর্শকের ভূমিকায়। যদি ঘটনাস্থলে আহমেদ আলি খানের ছেলে নিজামুদ্দিন সহ অনান্য সিপিআই(এম) নেতা কর্মীরা না থাকতেন তাহলে হয়তো এদিনই তাঁর জীবন সংশয় হতো- একথাই বললেন আহমেদ আলি খান। এক কথায় খুন করার উদ্দেশ্য নিয়েই তাঁর ওপর আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়ে হয়েছে বলে আক্রান্ত পার্টি কর্মীরা জানিয়েছেন। গায়ে, মাথায়, থুতনিতে, কোমরে একাধিক আঘাত নিয়ে বারাসত হাসপাতালে ভর্তি আহমেদ আলি। বারাসত ২ ব্লক অফিসের বিডিও অফিসের সামনে এসআইআর’র শুনানির নামে সংখ্যালঘু সহ সাধারণ মানুষকে হয়রানির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে মান্যতা দেওয়ার কথাই তিনি বলছিলেন। এরপর তৃণমূল পরিচালিত দাদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শিক্ষার কর্মাধ্যক্ষ আর্শেদ মল্লিক এবং তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মনিরুল ইসলাম হুমকির দিয়ে বলে, ‘অনেকদিন পর হাতের কাছে পেয়েছি, সবাই মিলে শেষ করে দে’। তারপরেই সিপিআই(এম) নেতা কর্মীদের ওপর দলীয় পতাকা হাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে তৃণমূলীরা। তৃণমূলের ১০/১২ জন দুষ্কৃতী এলোপাথারি কোদালের বাট দিয়ে মারধর করে সিপিআই(এম) উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য আহমেদ আলি খানসহ ১০ জন পার্টি নেতা কর্মীকে। এঁদের মধ্যে তিনজন মহিলা কর্মী। শুধু আহমেদ আলি খান নয় তৃণমূলীদের মারে আহত হয়েছেন সিপিআই(এম)’র প্রবীণ নেতা মহাদেব ঘোষ, তাঁর হাত ভেঙেছে। এছাড়া রক্তাক্ত হয়েছেন আহেমেদ খানের ছেলে নিজামুদ্দিন খান, তাঁর মাথা ফেটেছে। শুভঙ্কর নিযোগী, বিশ্বনাথ পাত্র, প্রতীক দাস, মহিলা কর্মীচন্দনা দে, মধুমিতা দত্ত মজুমদার, ডলি মুখার্জি সহ প্রায় ১০ জন পার্টিকর্মী আহত ও রক্তাক্ত হয়েছেন এদিনের ঘটনায়। এদিন সিপিআই(এম) নেতা কর্মীরা রক্তাক্ত হওয়ার পর চিৎকার চেঁচামেচির হওয়ায় পুলিশের সক্রিয়তা দেখা গেছে, কিন্তু কোনো দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেনি।
SIR Barasat
এসআইআর’র প্রতিবাদে নামায় সিপিআই(এম )নেতাকে সশস্ত্র হামলা তৃণমূলের
বারাসত হাসপাতালে আহত সিপিআই(এম) নেতারা। রয়েছেন পলাশ দাস।
×
Comments :0