ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নামার প্রতিবাদ করে পদ ছাড়লেন আমেরিকার সন্ত্রাসরোধ কেন্দ্রের প্রধান।
আমেরিকার ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের ডিরেক্টর জো কেন্ট পদত্যাগের চিঠি সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশও করে দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তিনি লিখেছেন, ইজরায়েলের চাপের কারণে আমেরিকা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নেমেছে। ইরান কখনই আমেরিকার সুরক্ষার পক্ষে বিপদ নয়। অথচ সেই কারণ দেখিয়ে দেশের মানুষকে বিপদে ফেলে বিপুল অর্থ খরচ করে যুদ্ধ চালানো হচ্ছে।
ট্রাম্পকে তিনি লিখেছেন, ‘‘অতীতে ২০১৬ সাল বা ২০২০-তে আপনিই বলেছিলেন ইরাক যুদ্ধের নীতিকে আপনি সমর্থন করেন না। কারণ এই যুদ্ধ শেষ হয় না। দেশের সম্পদ, দেশের মানুষের প্রাণ সবই খরচ হয়ে যায়। অথচ আপনিই ইরানের যুদ্ধ করছেন।’’
কেন্টের চিঠিতেও বলা হয়েছে যে সহজেই ইরানকে হারিয়ে দেওয়া যাবে মনে করে যুদ্ধে নেমেছিল আমেরিকা। আঠারো দিন পর দেশে এবং বিশ্বে প্রশ্ন উঠেছে আরও কতদিন চালাতে হবে এই যুদ্ধ?
কেন্ট বলেছেন, ‘‘ইজরায়েল আমাদের যুদ্ধের ফাঁদে ফেলেছে। আমাদের হাজার হাজার সেরা যুবক-যুবতীর প্রাণ গিয়েছে।’’
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের একাংশ জানাচ্ছে আরও কয়েক হাজার নৌসেনা নিয়ে আমেরিকার আরেকটি যুদ্ধ জাহাজ ইরানকে হামলা করার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। মাল্লা প্রণালিতে সিঙ্গাপুরের কাছে রয়েছে এই জাহাজ। ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ দক্ষিণ চীন সাগরের কাছে পৌঁছেছে।
আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’-কে আঘাত করেছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র। ইরান হুমকি দিয়েছে অপর একটি যুদ্ধজাহাজেও হামলা হবে। সে খবর ছাপার জন্য ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমের একাংশকে দেশদ্রোহী বলেছেন।
Joe Kent Resigned
ইরান যুদ্ধের প্রতিবাদে পদ ছাড়লেন ট্রাম্পের সন্ত্রাসরোধ প্রতিষ্ঠানের প্রধান
×
Comments :0