শ্রম কোড বাতিল সহ ন্যূনতম মজুরি, সামাজিক সুরক্ষা আরও বেশ কিছু দাবিতে ফের ধর্মঘট ডেকেছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশন সমূহ। গোটা দেশ জুড়ে প্রচার চলছে জোরকদমে। শ্রমিক কর্মচারীদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে কৃষক-খেত মজুররাও। বিজেপি শাসিত রাজ্য হারিয়ানাতে চলছে প্রচার। সিআইটিইউ হরিয়ানা রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জয় ভগবান জানিয়েছেন সে কথা। গোটা হারিয়ানাতে ৭টি জাঠা করেছে শ্রমজীবীরা। তাতে সামিল ছিলেন কৃষিজীবী মানুষরাও।
ভগবান জানাচ্ছেন, যৌথ আন্দোলনের পথেই রয়েছে সংযুক্ত কিসান মোর্চা ও কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলি। ১৫ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ভাবে কনভেনশনের মধ্যে দিয়ে তারা গোটা হরিয়ানা রাজ্য জুড়ে প্রচার সংগঠিত শুরু করছে। প্রচার চলছে ৪টি লেবার কোড, শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি, এবং মনরেগায় কাজ দেওয়ার দাবিতে। শেষ ১০ দিনে মোট ৭টি কেন্দ্রীয় জাঠা ধর্মঘটের প্রচারে হরিয়ানা জুড়ে চলছে। মঙ্গলবার শেষ হবে এই জাঠা।
বিজেপি সরকারের সাম্প্রদায়িক প্রচারের বিরুদ্ধেও শ্রমিক কর্মচারীরা এককাট্টা হচ্ছেন। আশা এবং মিডডে মিল কর্মীরা রাজ্যে ১০০ শতাংশ হরতাল করার প্রস্তুতি নিয়েছে। হরিয়ানার মিডডে মিল ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদক জানিয়েছেন যে লড়াইয়ের রাস্তা ছাড়া কোনও পথ নেই। তার কথায়, মিডডে মিল কর্মীরা শ্রমিকের মর্যাদা, কাজের সুরক্ষা, ১২ মাসের বেতন এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকারের দাবিতে লড়াই করছে। হরিয়ানা গ্রামীণ চৌকিদার সভা সামিল হবে ১২ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘটে। দীঘদিন ধরে তাঁদের স্থায়ী নিয়োগ নেই। বাড়েনি বেতনও।
কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটে শ্রমিক কৃষক খেত মজুর সহ মেহনতী মানুষের স্বার্থ রক্ষাকারী কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ধর্মঘটের প্রচারে থাকছে সেই কথাও। জয় ভগবান বলেছেন, "হরিয়ানার বিজেপি সরকারও মেহনতি মানুষকে জবাব দিতে পারছে না। কেন তাঁদের স্বার্থে কোনও
প্রকল্প নেই। সেখান থেকে কথা ঘোরাতে তারা প্রচার করছে কেন সংসদে মোদী বলতে পারলেন না। সিআইটিইউ বাজেটের বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছে। যার ফলে বিপুল সারা বলেছে ধর্মঘটের প্রচারেও।"
ভগবান জানিয়েছেন সাধারণ ধর্মঘটের পাশাপাশি শিল্প কলকারখানা, দোকান বাজারে ধর্মঘট চলবে সকাল থেকে। বিশেষ করে মফঃস্বল ও গ্রাম গুলিতে হরতালের প্রভাব বেশি পর্বে বলে তার ধারণা। গ্রামে গ্রামে মিছিল করবে শ্রমজীবীরা। বড় রাস্তায় হবে অবরোধ হবে। হবে চাক্কাজাম। এছাড়া আর কোনও পথ নেই মেহনতীর।
Comments :0