12 Febeuary Strike

১২ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট সর্বাত্মক করুন।

উত্তর সম্পাদকীয়​

অনাদি সাহু
আজ আমাদের দেশের শ্রমিক শ্রেণি এক ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে। কেন্দ্রীয় সরকার পুঁজিপতি ও মালিক শ্রেণির স্বার্থে পুরানো শ্রম আইন বাতিল করে শ্রমিক বিরোধী শ্রমকোড তৈরি করে শ্রমিক কর্মচারীদের দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত অধিকারগুলি কেড়ে নিতে চাইছে। স্বাধীনতার ৭৮ বছরে অতীতে এমন আক্রমণের সম্মুখীন শ্রমিক শ্রেণিকে হতে হয়নি। নরেন্দ্র মোদীর জমানায় গত ১২ বছর ধরে দেশের শ্রমিক কৃষক মেহনতি মানুষের জীবন-জীবিকা পূর্বেই ভয়ঙ্কর ভাবে আক্রান্ত। এখন নতুন আইনের মাধ্যমে কেন্দ্র চাইছে পুঁজিপতিদের আরও মুনাফা, আরও লুটের ব্যবস্থা পাকা করতে।
কার্যত দেশি-বিদেশি বৃহৎ পুঁজিপতিদের স্বার্থের কাছে কেন্দ্রীয় সরকার আত্মসমর্পণ করেছে। ভারতবর্ষের জনগণ ও শ্রমিক শ্রেণির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে ন্যূনতম সুরক্ষা যা অতীতে দেশের সংবিধান ও পার্লামেন্ট শ্রমিক শ্রেণিকে দিয়েছিল তাকে জলাঞ্জলি দিয়ে এই শ্রমিক বিরোধী শ্রমকোড ২০১৯-২০২০ সালে তৈরি করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে গত ৫ বছর ধরে ট্রেড ইউনিয়নগুলি ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করছে। দেশজুড়ে একাধিকবার সাধারণ ধর্মঘট করেছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার শোনেনি। গত ২১ নভেম্বর, ২০২৫ কেন্দ্রীয় সরকার শ্রমকোড লাগু করেছে। 'সহজে ব্যবসা' ও 'বিনিয়োগের' অজুহাতে শ্রমিক শ্রেণীকে নিরস্ত্র করে মালিক শ্রেণির অবাধ শোষণের ব্যবস্থার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। ভারতবর্ষের শ্রমিক শ্রেণির সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ। এখন প্রতিটি শিল্প কলকারখানায় শ্রমকোডের বিরুদ্ধে লড়াইকে সর্বাত্মক পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। কেন্দ্রকে শ্রমকোড প্রত্যাহারে বাধ্য করতে হবে।
অতীতে কৃষিক্ষেত্রকে কর্পোরেটদের হাতে তুলে দিতে কৃষকবিরোধী ৩টি কৃষি আইনের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলন নরেন্দ্র মোদী সরকারকে ৪ বছর আগে পিছু হটতে বাধ্য করেছে। জনবিরোধী বিদ্যুৎ বিলের বিরুদ্ধেও দীর্ঘদিন লড়াই চলছে। কৃষকের ফসলের লাভজনক দামে এমএসপি’র কেন্দ্রীয় আইন ও কৃষি ঋণ মকুবের দাবিতে লড়াই চলছে।। কৃষি ও খেত মজুরদের মজুরি বৃদ্ধি, রেগার কাজের দিন ও মজুরী বৃদ্ধি নিয়ে দীর্ঘদিন লড়াই চলছে। নতুন ‘জি রামজি আইন বাতিলের দাবি করা হচ্ছে। একইভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্র, ব্যাঙ্ক, বিমা, প্রতিরক্ষা, কয়লা, ইস্পাত, বিদ্যুৎ বন্দর, বিমান বন্দর, জল, জমি, জঙ্গল বেসরকারিকরণ ও কর্পোরেট লুটের বিরুদ্ধে প্রতিটি ক্ষেত্রে শ্রমিকরা লড়াই করছে। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের আর্থিক উদারনীতি দেশি-বিদেশি বৃহৎ পুঁজিপতি, আদানি, আম্বানি, টাটা, বিড়লা, রিলায়েন্স, ভারতীয় এয়ার টেল সহ মুষ্টিমেয় পুঁজিপতিদের বিপুল সম্পদ বৃদ্ধি করেছে ও দেশের ৯০ শতাংশ মানুষের সর্বনাশ করেছে। কমেছে দেশের সরকারি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক ক্ষেত্রে মানুষের সুযোগ। সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে। বেকারি, গরিবী, বৈষম্য তীব্র হয়েছে। বিজেপি’র সময় প্রতিটি কেন্দ্রীয় বাজেটে সামাজিক কল্যাণে অর্থ বরাদ্দ হ্রাস পেয়েছে। গরিব মানুষের ওপর পাহাড় প্রমাণ করের বোঝা বৃদ্ধি ঘটেছে এবং অপরদিকে পুঁজিপতিদের বিপুল পরিমাণ কর ছাড়, ইনসেন্টিভ, ঋণ মকুবের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিজেপি দেশ জুড়ে মোদীর গোদি মিডিয়ার মাধ্যমে বারবার প্রচার করছে দেশ এগিয়ে চলছে, দেশের মানুষের প্রভূত উন্নতি ঘটছে। মিডিয়ার মিথ্যা প্রচার চলছে। বিজেপি আরএসএস’র এই চক্রান্ত এবং পুঁজিপতি ও মালিক শ্রেণির তোষণের বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণির লড়াই চলছে। শিল্প কলকারখানায় ধর্মঘটের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
দুনিয়া জুড়ে পুঁজিবাদের সঙ্কটের বোঝা মালিকরা শ্রমিক শ্রেণি ও জনগণের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সারা বিশ্বে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধ বাড়ছে। আমাদের দেশেও মালিক শ্রেণির আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধ বাড়ছে। শ্রমিক শ্রেণিকে তার অর্জিত অধিকার এখন লড়াই করেই রক্ষা করতে হবে। তাই ধর্মঘট।
দেশের শ্রমিক শ্রেণি ও ট্রেড ইউনিয়নগুলি কেন নরেন্দ্র মোদীর শ্রমকোড মেনে নিতে পারছে না তা আমাদের পরিষ্কারভাবে জানা ও বোঝা দরকার।
প্রথমতঃ কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দেশের শ্রমজীবী মানুষকে শক্তিহীন করে পুঁজিপতি শ্রেণির অবাধ শোষণ ও লুণ্ঠনের লক্ষ্যে বিরোধী শূন্য পার্লামেন্টে ২০২০ সালে শ্রমকোডের এই আইনগুলি পাশ করিয়ে নিয়েছিল। শ্রমিকদের বিরোধিতায় এতদিন তা লাগু করতে না পারলেও এখন এই কালাকানুন কার্যকর করতে চাইছে।
দ্বিতীয়তঃ ২১ নভেম্বর, ২০২৫ যেদিন শ্রমকোডের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে সেই দিনই দেশের সংগঠিত ক্ষেত্রের ৭০ শতাংশ কল কারখানার শ্রমিকদের শ্রম আইনের আওতার বাইরে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। শিল্প, কল কারখানায় শ্রমিক মালিক পারস্পরিক দায়বদ্ধতা সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো ও বিধি যা ছিল তাকে নস্যাৎ করে শ্রমকোডের ছত্রে ছত্রে মালিক গোষ্ঠীর হাতে বাধাহীন শোষণের ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপত্র থেকে কাজের ঘণ্টা, সাপ্তাহিক ছুটি, ন্যূনতম মজুরি, ভবিষ্যনিধি (পিএফ) সামাজিক সুরক্ষার কাঠামোকে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। ৮ ঘণ্টা কাজের পরিবর্তে দৈনিক ১২ ঘণ্টা / ১৪ ঘণ্টা। ১৫ ঘণ্টা কাজ, প্রয়োজন ভিত্তিক ন্যূনতম মজুরির (দৈনিক ১০০০ টাকা মাসে ২৬০০০ টাকা) পরিবর্তে ফ্লোর লেভেল ওয়েজ অর্থাৎ দৈনিক ১৭৮ টাকা মজুরি (মাসে ৪২২৮ টাকা) কিছু বেশি যা কেন্দ্রীয় সরকার স্থির করবে। রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রে এতদিন বেআইনিভাবেই স্থায়ী কাজে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে কম মজুরিতে অস্থায়ী কন্ট্রাকচুয়াল ক্যাজুয়াল শ্রমিক নিযুক্ত করা হয়েছে এতদিন। শ্রমকোডের কল্যাণে ম্যানেজমেন্ট বাকি ৩০ শতাংশ ক্ষেত্রে অস্থায়ী কন্ট্রাকচুয়াল, ক্যাজুয়াল, শ্রমিক নিযুক্ত করতে পারবে আইনে তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
শ্রমকোডে শ্রমিকদের সঙ্ঘবদ্ধ হওয়া, ট্রেড ইউনিয়ন করা, লড়াই ধর্মঘট করার অধিকার খর্ব করা হয়েছে। শ্রমিক কর্মচারী, ইউনিয়ন নেতৃত্বদের জন্যে নতুন আইনে জেল জরিমানার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে। অপরদিকে আইন ভঙ্গকারী, দুর্নীতিগ্রস্ত মালিকদের জেল জরিমানার ব্যবস্থা শাস্তির আওতা থেকে বাদ দিয়ে সামান্য কিছু ফাইন দিয়ে ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এইভাবে দেশের শ্রমশক্তি ও মানব সম্পদকে লুণ্ঠনের জন্যে এক আদিম দাসত্বের বর্বর শোষণ ব্যবস্থার মধ্যে বেঁধে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
শুধু তাই নয় শ্রমকোড দেশের শ্রমশক্তির ৯৫ শতাংশ ইনফরমাল সেক্টর সম্পর্কে উদাসীনতা প্রদর্শন করেছে। গিগ, প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্কার্স বা স্কিম ওয়ার্কার্সদের সম্পর্কে শ্রমকোডে বিশেষ কিছু নেই। দেশের ৯০ শতাংশ শ্রমিক প্রায় ৫০ কোটি যারা অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করে প্রায় কোনও সুরক্ষা ছাড়াই, দেশের উৎপাদন ও পরিষেবা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে এদের ন্যূনতম মজুরি, সামাজিক সুরক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকার অস্বীকার করেছে। বিড়ি, নির্মাণ, গৃহভিত্তিক শ্রমিক, গৃহ সহায়িকা, পথ হকারদের সামাজিক সুরক্ষার সুযোগকে অনিশ্চিত করেছে।
কেন্দ্রীয় বাজেট প্রসঙ্গে: এবারের কেন্দ্রীয় বাজেটেও অঙ্গনওয়াড়ি, আশা, মিড ডে মিল কর্মীদের প্রসঙ্গে কোনও ঘোষণা নেই। প্রাক প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রশ্ন, গরিব মা ও শিশুদের পুষ্টি, প্রকল্প কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধি সমস্ত ক্ষেত্রেই সরকার উদাসীন। একইভাবে মূল্যবৃদ্ধি কর্মসংস্থান শ্রমিক কৃষক, খেতমজুরদের সমস্যাগুলি উপেক্ষিতই থেকে গেল। একইভাবে রাজ্য বাজেট যা পেশ হয়েছে তাতে শ্রমিক-কৃষক, কর্মসংস্থান, মৃল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাজ্যের উন্নয়ন শিল্পায়নের প্রশ্ন উপেক্ষিত। সামান্য কিছু ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব এসেছে, মিড ডে মিলের শ্রমিকরা ভীষণভাবে উপেক্ষিত।
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নিকট আত্মসমর্পণ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে ভারতীয় পণ্যের উদার ৫০ শতাংশ শুল্ক অন্যায়ভাবে বৃদ্ধি করেছিল তা ছিল ভারতীয়দের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের শুল্ক যুদ্ধের কাছে ভারত সরকার নতি স্বীকার করে বন্ধু দেশ রাশিয়া থেকে কম দামে তেল কেনা বন্ধ করে এবং ৫০০ বিলিয়ান ডলার মূল্যের আমেরিকার প্রযুক্তি, শক্তি, কয়লা, কৃষি পণ্য, ক্রয়ের শর্তে সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করা হচ্ছে, যেখানে ভারতীয় পণ্যের উপর আমেরিকা ১৮ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপাচ্ছে। আর আমেরিকার পণ্য ভারতের বাজারে ঢুকবে তার চেয়েও কম বা প্রায় শুল্ক শূন্য অবস্থায়। তাহলে আমাদের দেশের শিল্প কৃষিজাত পণ্যের বাজারের হাল কি হবে? এই চুক্তি ভারতবর্ষের অর্থনীতি কৃষি শিল্প ও ডেয়ারি ক্ষেত্রের ওপর ভয়ঙ্কর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দেশের শ্রমিক কৃষক সাধারণ মানুষ ভয়ঙ্করভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই অসম বাণিজ্যচুক্তির বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণি লড়াই তীব্র করবে। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কাছে ভারতের শ্রমিক কৃষকরা আত্মসমর্পণ করবে না।
গত ডিসেম্বর মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভেনেজুয়েলায় রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে অপহরণের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের নীরবতা, কার্যত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের দস্যুবৃত্তি ও আধিপত্যবাদকে সমর্থন। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের সম্মান ও মর্যাদা স্বাধীন নিরপেক্ষ ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করেছে। যা আমরা সমর্থন করতে পারি না।
কার্যত ভারতবর্ষের বর্তমান বিজেপি সরকার জাতীয় স্বার্থ ও দেশের শ্রমিক কৃষক ও জনগণের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে সাম্রাজ্যবাদ ও বৃহৎ পুঁজির স্বার্থে চলছে। কেন্দ্রের উদার আর্থিক নীতি, শ্রম আইনের সংশোধন ও শ্রমকোডের প্রয়োগ সবই পুঁজিপতিদের মুনাফার স্বার্থে। তাই শ্রমিকবিরোধী এই শ্রমকোড বাতিলের লড়াই কেন্দ্রের আর্থিক নীতির বিরোধিতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রকে রক্ষার সংগ্রাম অবিচ্ছিন্ন। এই লড়াই শুধু শ্রমিক শ্রেণি বা শ্রমিক কৃষকের স্বার্থে নয়, দেশের স্বার্থে সমস্ত মানুষের সমর্থনযোগ্য।
তাই কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন, শিল্পভিত্তিক ফেডারেশনগুলির ডাকে ১২ই ফেব্রুয়ারি '২৬ সারা দেশে সাধারণ ধর্মঘট কিন্তু রাজ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্যে যাত্রী পরিবহণে ছাড় থাকবে। কিন্তু অন্য সমস্ত শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রে সর্বাত্মক ধর্মঘট হবে। ঐদিন রাজ্যে সংগঠিত ও অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকরা গ্রাম ও শহরে সর্বত্র ধর্মঘটে শামিল হবেন, মিছিল মিটিং করবেন। রাজ্যের যাত্রী পরিবহণের শ্রমিকরা ওই দিন পরীক্ষার্থীদের জন্যে সারাদিন গাড়ি চালালেও বিকাল ৬টা থেকে ৬.১০ মিনিট সর্বত্র গাড়ি চালানো বন্ধ করে প্রতিবাদে শামিল হবেন। শ্রমকোড পোড়াবেন। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে সংযুক্ত কিষান মোর্চা এই ধর্মঘটকে সমর্থন করেছে। রাজ্যে এই ধর্মঘটের সমর্থনে কৃষক, খেতমজুর, বস্তি সংগঠন শামিল হবেন ছাত্র যুব মহিলা রাস্তায় নামবেন। ফলে গ্রাম বাংলায় ওই দিন শ্রমিকদের সাথে কৃষক, খেতমজুররা মাঠে কাজে না নেমে মিছিল মিটিং ও ধর্মঘটে শামিল হবেন।

Comments :0

Login to leave a comment