Mednipur Raped

দাঁতনে মুক ও বধির যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

রাজ্য জেলা

দাঁতন ২ ব্লকের একটি গ্রামে প্রতিবন্ধী মুক ও বধির যুবতীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গাঁজার ঠেকে ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনকে আটক করে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দাঁতন ২ নম্বর  ব্লকের বেলদা থানার অন্তর্গত সাউরি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার একটি গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে ধৃতের নাম সঞ্চয় ভুঁইয়া। শিবনাথ পাত্র, বিপ্লব ঘোষকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের বক্তব্য তিনজনই বিজেপি কর্মী। অভিযোগ অভিযুক্তরা সারারত যুবতীর উপর যৌন নির্যাতন চালায়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় জনরোষের সৃষ্টি হলে পুলিশ বাধ্য হয় স্নিফার ডগ নিয়ে তল্লাশি চালায়। যুবতীকে যে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায় সেই ঘরের একটি খালি জলের বোতল মুখে তুলে নিয়ে স্নিফার ডগ সোজা চলে যায় একটি হাইস্কুলের পিছনে একটি জঙ্গলে। সেখানেই গাঁজার ঠেকে ধর্ষণ করা হয় বলে চিহ্নিত হয়। সেখনেই উদ্ধার হয় গাঁজার উপকরণ, পোশাক সহ অনান্য জিনিসপত্র। পুলিশ সঞ্জয় ভুঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে অভিযুক্ত সঞ্চয় ভুঁইয়ার বাড়ি ঘটনা স্থল থেকে ৫ কিমি দূরে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিবনাথ পাত্র, বিপ্লব ঘোষকে আটক করে। তারা দুজনের স্থানীয় বাসিন্দা। এলাকার মানুষের কথায় অভিযুক্ত সঞ্চয় সবসময়ে মাদকে ডুবে থাকে। এলাকায় বিজেপি দলের কর্মী হিসাবে পরিচিত। তাদের অনুমান গাঁজা কারবারেও যুক্ত থাকতে পারে সঞ্চয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে পাওয়া খবরর বিবরণে জানা গেছে, সোমবার রাতের খাবার খাওয়ার সময় পরিবার লক্ষ্য করেন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যুবতীকে তাঁর ঘরে নেই। শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। রাতে তাঁকে পাওয়া যায়নি। ভোরে ফের খুঁজতে বেরিয়ে পড়ে পরিবারের লোকজন। তাঁরা দেখতে পান হাইস্কুলের পিছনের জঙ্গল থেকে রক্তাক্ত,আহত অবস্থায় নির্যাতিতা বেরিয়ে আসছেন। তাঁকে উদ্ধার করে পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। মঙ্গলবার রাতে স্নিফার ডগ দিয়ে চালানো হয় তল্লাশি। এরপরই উঠে আসে গাঁজার ঠেকে ধর্ষের ঘটনা।
নির্যাতিতার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মেদিনীপুর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। বেলদা থানার অন্তর্গত জোড়া গেড়িয়া ফাঁড়ির পুলিশ পুলিশ জানিয়েছে, ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে এলেই জানা যাবে দলবদ্ধ ধর্ষণ কিনা। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন জনকে আটক জরা হলেও কেবল সঞ্জয় ভুঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতকে বুধবার দাঁতন এসিজেএম আদালতে তুললে বিচারক ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

Comments :0

Login to leave a comment