SIR West Bengal

ফেব্রবারির শেষে বা মার্চের শুরুতে চুড়ান্ত তালিকা, কমিশন সূত্রে খবর

রাজ্য

ফেব্রুয়ারির শেষ বা মার্চ মাসের শুরুতে প্রকাশিত হতে পারে চুড়ান্ত ভোটার তালিকা। কমিশন সূত্রে খবর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এসআইআর প্রক্রিয়ার সাতি দিন সময় বাড়ায় পিছিয়ে যাচ্ছে চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন। 
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যেই আধিকারিকদের তালিকা রাজ্য কমিশনের কাছে দিয়েছে তাদের আজ বিকেল পাঁচটার মধ্যে কমিশনের কাছে রিপোর্ট করতে হবে। 
গতকাল মাইক্রো অর্জারভার নিয়োগকে কেন্দ্র করে আদালতের কমিশন এবং রাজ্যের মধ্যে সাওয়াল পাল্টা সাওয়াল চলতে থাকে। 
৮৫২৪ জন এইআরও কমিশনের কাছে পাঠিয়েছে রাজ্য, সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলায় রাজ্য সরকারের পক্ষ জানান প্রাক্তন মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ। কিন্তু সেই আধিকারিকদের নামে তালিকা কমিশনের কাছে নেই। মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী আদালতে জানিয়েছে যেই সব গ্রুপ বি আধিকারিকদের পাঠানো হচ্ছে তাদের নামের তালিকা তৈরি করতে সময় লাগবে। 
সোমবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে কোন সমস্যা হলে সুপ্রিম কোর্ট তাতে হস্তক্ষেপ করবে। কিন্তু এসআইআরের কাজে কোন ভাবে বাধা দেওয়া যাবে না। প্রধান বিচারপতি শুনানির মাঝে বলেন যে এখন ৮ হাজার ৫০০ আধিকারিকের নাম মাইক্রো অবজার্ভার হিসেবে রাজ্য সরকার পাঠিয়েছে। আগে পাঠানো হলে তা হয়ত অনুমোদন করা যেত। 
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি তখন বলেন যে নির্বাচন কমিশন কখনও রাজ্য সরকারকে গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম চেয়ে পাঠায়নি। রাজ্য সরকারকে নির্বাচন কমিশন এমন কোনও অনুরোধও জানায়নি। 
তার আগে নির্বাচন কমিশন দাবি করে যে আধিকারিকদের সম্পরকে বিশদ তথ্য পাঠানো হয়নি। মমতা ব্যানার্জির আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান পালটা দাবি করেন যে নামের তালিকা তৈরি করে নির্বাচন কমিশনকে তা পাঠানো হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং মমতা ব্যানার্জির পক্ষে সওয়ালে প্রশ্ন তোলা হয় বাইরের রাজ্য থেকে মাইক্রো অবজার্ভার পশ্চিমবঙ্গে পাঠানো নিয়ে। বলা হয় যে বাংলায় নাম এবং পদবির স্বাভাবিক পরিবর্তনকে না বুঝে তাকে লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সি বা যুক্তিসঙ্গত অসঙ্গতি ধরা হচ্ছে। তার ভিত্তিতে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ মানুষকে শুনানিতে ডাকার কাজ চলছে। 
কমিশনের প্রধান যুক্তি যে রাজ্যের থেকে নাম চেয়ে না পাওয়ায় বাইরে থেকে আধিকারিক পাঠানো হয়। 
আধিকারিকদের নাম পাঠানোতে দেরি কেন সে প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতিও। মমতা ব্যানার্জিকে তিনি বলেন, গত ৪ ফেব্রুয়ারি আমরা নির্দেশ দিয়েছিলাম। তা’হলে কেন ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় ই-মেল করে নাম পাঠানো হলো?

Comments :0

Login to leave a comment