তারাতলার গোডাউন বিপর্যয় ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে পাঁচজনকে। বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার কুণাল আগারওয়াল। তিনি বলেন, বিল্ডিং সুপার ভাইজার সৌয়দ মহম্মদ গুলজারের বিরুদ্ধে ক্রিমিলান রেকর্ড রয়েছে। ঘটনায় মৃত এবং অন্যতম অভিযুক্ত আজগার হোসেনের বিরুদ্ধেও রয়েছে দুটি মামলা। ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্তের জন্য গঠন করা হয়েছে সিট।
গ্রেপ্তার করা হয়েছে গুলজার হোসেন (আয়ান ট্রেডার্সের সুপারভাইজার) কমল সামন্ত, (লোহার কাঠামো তৈরির সঙ্গে যুক্ত), শম্ভুনাথ বেহরা- (এর কাছ থেকেই জমিটি নিজে নিয়েছিল সংশ্লিষ্ট সংস্থা), দিবাকর ভান্ডারী (লেবার কন্ট্রাক্টর), আটক করা হয়েছে আব্দুল হামিদ কেও। পুলিশের অভিযোগ এই ব্যক্তি কর্পোরেশনের দালাল। তিনি নির্মাণের প্ল্যানটি অনুমোদনের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।
কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কতজন শ্রমিক ওই ভেঙে পড়া গোডাউনে কাজ করতেন তার কোন তথ্য নেই। কোন হাজিরা খাতা ছিল না। যার ফলে নির্দিষ্ট ভাবে বলা যাচ্ছে না কতজন সেখানে এখনও আটকে রয়েছে। লালবাজার জানিয়েছে উদ্ধার কাজ চলবে। সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়া কাঠামো না সড়ানো পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে না কোন ব্যাক্তি তলা আছে কি না।
আটক হওয়া পাঁচজনকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে নির্দিষ্ট কোন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। কুণাল আগারওয়াল বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্তরা নির্দিষ্ট ভাবে কোন সংখ্যা বলতে পারছে না। কেউ বলছে ২০, কেউ বলছে ৩০। তবে পুলিশের অনুমান তলায় এখনও মানুষ থাকতে পারেন। কলকাতা পুলিশের কথায় যতক্ষন না পর্যন্ত গোটা কাঠামো না সড়ানো যাচ্ছে ততক্ষন কিছু বলা যাচ্ছে না।
কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে ওই বিল্ডিং সংক্রান্ত একাধিক নথি কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে কলকাতা পৌরসভার কাছে চাওয়া হয়েছে। সেই সব নথি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনে কলকাতা পৌরসভার আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।
Kolkata Police Taratala
এখনও ধ্বংসস্তুপের তলায় আটকে থাকার আশঙ্কা কলকাতা পুলিশের
×
Comments :0