জৈশ যোগের সন্দেহে বর্ধমান থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে এসটিএফ। ধৃতের নাম হামিম মন্ডল। বৃহস্পতিবার রাতে বর্ধমানের নবাবহাটের কাছে একটি জিম থেকে আটক করা হয় এই যুবককে। সূত্রের খবর তল্লাশিতে তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক মোবাইল, ডিজিটাল স্টোরেজ ডিভাইস ও বেশকিছু নথি। কাশ্মীরের নাশকতায় জড়িত একাধিক সক্রিয় গোষ্ঠী, এমনকি পুলওয়ামা হামলার সাথে জড়িত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সর্ম্পকের সূত্র মিলেছে বলে তদন্তকারীদের দাবি।
বর্ধমানে জঙ্গি-যোগের অভিযোগ এই প্রথম নয়। ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর খাগড়াগড় কান্ডে আন্তজার্তিক জঙ্গি সংগঠনের কার্যকলাপ নিয়ে গোটা দেশে আলোড়ন পড়েছিল। সেই ঘটনার এক দশকেরও পরে আবার এই জেলার নাম তদন্তে উঠে আসায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে প্রশাসনিক মহলে।
বর্ধমানে রেনেসাঁ উপনগরীতে ৩ মাসের আত্মগোপন কি কারণে তা তদন্ত করে দেখছেন গোয়েন্দারা। সন্ত্রাসবাদী যোগের সন্দেহে গ্রেপ্তার হামিম মণ্ডলকে ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে একের পর এক নতুন তথ্য। অভিযোগ, কার্যত কোনও বাধা বা পরিচয় যাচাই ছাড়াই পূর্ব বর্ধমানের রেনেসাঁ উপনগরীতে পরিবারের সঙ্গে প্রায় চার মাস ধরে বসবাস করছিল সে।
বৃহস্পতিবার এসটিএফের সহায়তায় বেঙ্গল অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (এটিএস) হামিম মণ্ডলকে বর্ধমানের একটি জিম থেকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার তাকে বর্ধমান আদালতে তোলা হলে আদালত চত্বরে নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। সকাল থেকেই আদালত চত্বরে মোতায়েন ছিল বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। দুপুরের পর কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই হামিমকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে কয়েক মিনিটের শুনানির পরই তাকে ১৪দিনের পুলিশী হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বিচারক। এরপর পুনরায় নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে অজ্ঞাত গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিন আদালত চত্বরের বাইরে সংবাদমাধ্যমের কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দেয়নি হামিম।
Hamid Arrest
জৈশ যোগ সন্দেহে ধৃত হামিমের পুলিশ হেপাজত
×
Comments :0