TMC- MP- MLA Sitai

সিতাইবাসীর রাগ ক্ষোভ বাড়ছে সাংসদ, বিধায়কের বিরুদ্ধে

জেলা

ক্ষোভ ছড়াচ্ছে এলাকায়। ‘সিতাইতে ফিরলেই আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে ডিম থেরাপি’ সমাজ মাধ্যমে এমন পোস্ট ঘুরছে সিতাইয়ে। যাদের উদ্দেশ্যে এই পোস্ট তাদের একজন হলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনীয়া। অন্যজন সিতাইয়ের তৃণমূল বিধায়ক সঙ্গীতা রায়। স্ত্রী সঙ্গীতা রায় ভোটের ফল প্রকাশের পরেই জয়ের শংসাপত্র নিয়ে স্বামীর সঙ্গে সিতাই ছেড়েছেন। আর সিতাইয়ে ফেরেননি। দুজনকে কখনো দিল্লিতে, কখনো কলকাতায় দেখা যাচ্ছে। সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনীয়া এখন তৃণমূল ছেড়ে কাকলী ঘোষ দস্তিদারদের সাথে হাত মিলিয়ে এনডিএ-র শরিক হয়েছেন। অন্যদিকে সঙ্গীতা রায় শপথ নিয়েই বিক্ষুদ্ধদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন।
এত কিছুর পরেও অবশ্য সিতাইবাসীর রাগ ক্ষোভ কমার কোনও লক্ষণ নেই! তারা বলছেন, ‘কতদিন ঘরছাড়া থাকবেন সাংসদ-বিধায়ক দম্পতি!’ সিতাইয়ের বাসিন্দা সত্যেন কার্যী বলেন,
বিধায়ক থেকে জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনীয়া সাংসদ হবার পরেই স্ত্রীকে বিধায়ক করেছিলেন। আর বিধায়ক হয়েই সঙ্গীতা রায়, চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারণা করেছেন মানুষের সাথে।
সাংসদের বিরুদ্ধে মুখ খুলে গৃহবধূ গীতা রায় বলেন, ওনারা কাটমানি তুলতেন। তোলাবাজি করতেন। আর প্রতিবাদ করলেই মিথ্যে মামলায় পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করাতেন। দিল্লি বা কলকাতায় ওঁরা যতই বিজেপির কাছাকাছি থাকুন না কেন সিতাইয়ে ফিরলে তাঁদের ওপর আছড়ে পড়বে ক্ষোভের ঝড়। 
এদিকে ভোটের পর বিধায়ক শূন্য এলাকা। তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানেরা কেউ পদত্যাগ করেছেন, কেউ বা গা ঢাকা দিয়ে আছেন। উন্নয়নের সব কাজ বন্ধ। অভিভাবকহীন সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রে প্রতিদিন কাটমানি ফেরাতে বিক্ষোভ চলছে। কেউ কেউ যদিও টাকা ফেরাচ্ছেন। উন্নয়ন স্তব্ধ সিতাইতে।

Comments :0

Login to leave a comment