বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর এবার চরম আকার ধারণ করল কোচবিহার জেলা কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল। রবিবার কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে জেলা কংগ্রেস দপ্তরের মূল ফটক এবং ঘরের দরজার তালা ভেঙে এই জেলা দপ্তরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন কংগ্রেস নেত্রী ছায়া রানী বর্মন। এই বিক্ষুদ্ধ গোষ্ঠী যাতে কোন ভাবেই এই দলীয় দপ্তরে কোনরকম রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে না পারেন, এই লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরটি তালা বন্ধ করে রাখা হয়েছে তার নির্দেশে বলে অভিযোগ। অবশেষে এদিন তালা ভেঙেই দলের এই জেলা দপ্তরে প্রবেশ করলেন তারা।
কার্যত দ্বিধা বিভক্ত অবস্থায় কোচবিহারের কংগ্রেস দলটি। ইতিমধ্যেই প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সদস্য তথা কোচবিহার জেলা কংগ্রেস সেবা দলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং কোচবিহার শহরের কংগ্রেসের অন্যতম নেতা আইনজীবী মীর মোশাররফ হোসেনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোচবিহার জেলা কংগ্রেস। এই মর্মে তাদের দুজনকেই চিঠিও পাঠিয়েছেন কোচবিহার জেলা কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার।
আর অপরদিকে জেলা কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন কংগ্রেসের এই দুজন নেতার পাশাপাশি দলের একাংশের কর্মী সমর্থকেরা। তার বিরুদ্ধে বিজেপি দলের দালালি করার অভিযোগ তুলেছেন তারা। রীতিমতো বিজেপির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। গত লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে নিজের স্ত্রীকে কংগ্রেস প্রার্থী করেন এই বিশ্বজিৎ সরকার, এরপর বিজেপির কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুলিশ এজেন্টের ফর্ম তিনি বিজেপির কাছে বিক্রি করেন বলে অভিযোগ। নির্বাচন এলেই তাকে এবং তার স্ত্রীকে জেলা কংগ্রেস দপ্তরে দেখা যায় এরপরই তারা বেপাত্তা হয়ে যান বলে অভিযোগ বিক্ষুদ্ধ কংগ্রেস নেতা কর্মীদের। কংগ্রেসকে রক্ষা করতে তারা বদ্ধপরিকর বলে এদিন জানান এই বিক্ষুদ্ধ কংগ্রেস নেতা কর্মীরা।
Cooch Behar
কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল কোচবিহারে, তালা ভেঙে কার্যালয়ে কংগ্রেস নেত্রী
×
Comments :0