জ্বালানির অভাবে বাধা পড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। সমস্যা হচ্ছে জল সরবরাহেও। আমেরিকার অবরোধে জলসঙ্কটে পড়ছে কিউবা। শিশু-বৃদ্ধ সহ প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষকে জলের সমস্যাতেও ফেলছে আমেরিকা।
আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার ওপর নিষেধাজ্ঞা নতুন পর্বে জারি করে রেখেছেন। অবরোধ ভেঙে রাশিয়া জ্বালানি সরবরাহ করলেও তা স্বাভাবিকের তুলনায় কম। বিদ্যুৎ উৎপাদনে চড়া সঙ্কটে সমাজতান্ত্রিক কিউবা।
তবে অবরোধের কয়েক মাসের মধ্যে সৌরবিদ্যুত কাজে লাগিয়ে পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রায় দ্বিগুন করেছে। জাতীয় সংসদে কিউবার উপ বিদেশমন্ত্রী জোসেফিনা ভিদাল বলেছেন, ‘‘আমরা যুদ্ধ চাই না। আমেরিকা জোর করে যুদ্ধ চাপিয়ে দিতে চাইছে। তবে পরিস্থিতি তেমন হলে দৃঢ়তার সঙ্গেই মোকাবিলা হবে।’’
ভিদাল বলেছেন, ‘‘আমেরিকার এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন অনুযয়ী বেআইনি, অনৈতিক। সব কূটনৈতিক রাস্তায় বার্তা বিনিময়ের চেষ্টা করেছে কিউবা।’’
কিউবায় জল সরবরাহের জন্য যতটা জ্বালানি দরকার এখন তার মাত্র ৩৭ শতাংশ ব্যবহার হচ্ছে। কিউবার জলসম্পদ বিষয়ক জাতীয় প্রতিষ্ঠানের সভাপতি অ্যান্তোনিও রডরিগেজ বলেছেন, বিদ্যুতের পাশাপাশি রাসায়নিকের অভাবেও ভুগতে হচ্ছে। পাইপ পরিষ্কার করার জন্য রাসায়নিক প্রয়োজন নিয়মিত।
কিউবায় সরাসরি ‘শাসন পরিবর্তন’-র লক্ষ্য নিয়ে নেমেছেন ট্রাম্প। ইরানেও সে লক্ষ্য নিয়েই নেমেছিলেন। তবে পালটা আঘাতে পিছু হটে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছে। গত জানুয়ারিতে কিউবার ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন অন্য কোনও দেশ কিউবাকে জ্বালানি দিলে আমেরিকা বাড়তি শুল্ক চাপাবে।
রাজধানী হাভানা এবং আশেপাশের এলাকাতেও কোথাও কোথাও পাঁচ দিন বাদে পৌঁছাচ্ছে জলের ট্যাঙ্কার।
জল সরবারহের সঙ্কট মোকাবিলাতেও সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে চাইছে কিউবা।
CUBA Solar Energy
জ্বালানির অভাবে জলসঙ্কট তীব্র, সৌর বিদ্যুতের উৎপাদন দ্বিগুন কিউবায়
×
Comments :0