KMC CPIM

পরিষেবা বজায় রাখাই দায়িত্ব, কলকাতায় মেয়রের পদত্যাগে বললেন সিপিআই(এম) কাউন্সিলর

কলকাতা

‘‘মানুষের ভোটে আমরা জনপ্রতিনিধি হয়েছি। তাঁদের প্রতি আমরা দায়বদ্ধ। বামপন্থীরা পৌর পরিষেবা কীভাবে আরও ভালো করে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারি তার দিকেই নজর দিচ্ছি।’’ 
মেয়রের পদত্যাগের পর একথাই বললেন কলকাতা কর্পোরেশনের সিপিআই(এম) কাউন্সিলর নন্দিতা রায়। পৌর কমিশনার বৃহস্পতিবারই জানিয়েছিলেন তিনি যে কোনও পরিস্থিতির জন্য সবসময় প্রস্তুত রয়েছেন। 
নন্দিতা রায় বলেন, "কলকাতার মহানাগরিক পদত্যাগ করেছেন। আগামী দিনে যেন কলকাতা কর্পোরেশন তাঁর মর্যাদা নিয়ে চলতে পারে তার দায়িত্ব প্রত্যেক পৌরপ্রতিনিধি, চেয়ারপার্সন, মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও মেয়র পারিষদ সদস্যদের। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, চিত্তরঞ্জন দাসের মতো ব্যক্তিরা দায়িত্ব পালন করেছেন। এর গরিমা আমাদের রক্ষা করতে হবে।" 
নন্দিতা রায় স্পষ্ট ভাবে বলেছেন যে বামপন্থীরা কাউন্সিলররা মানুষের পরিষেবার কাজ চালিয়ে যাবে। যার জন্যই মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছেন। সেই কাজ নিরবচ্ছিন্ন ভাবে করে যাবো। আমরা একমাত্র মানুষের কাছে দায়বদ্ধ।   
তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য, ভোটের পর থেকেই দলের মধ্যে সমস্যা তৈরী হচ্ছিলই। নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠী দ্বন্ধ ছিল। ভোটের পর তা বেআব্রু করেছে। এটা তৃণমূলের দলীয় ব্যপার আমি এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করবো না।" 
এর মধ্যেই কলকাতা কর্পোরেশনের ৯ নম্বর বরো চেয়ারম্যান পদ ছেড়েছেন দেবলীনা বিশ্বাস। গত ১৯ মে তিনি মালা রায়কে তার পদত্যাগের চিঠি পাঠান। চিঠিতে উল্লেখ করেন বরো চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেও কলকাতা কর্পোরেশনের ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর পদ ছাড়েন কলকাতা কর্পোরেশনের জল নিকাশি দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র পরিষদ তারক সিং। এছাড়াও মিউনিসিপ্যাল অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তৃণমূল কাউন্সিলর অরূপ চক্রবর্তী। কলকাতা কর্পোরেশনের ১২ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। মেয়র পদত্যাগ করলে পৌরসভার দায়ভার নিতে হবে পৌর কমিশনারকে। সেই বিষয়ে স্মিতা পান্ডের দাবি যে তিনি যে কোনও পরিস্থিতির জন্য সবসময় প্রস্তুত রয়েছেন।

Comments :0

Login to leave a comment