Protest in Bhutni

বন্যা রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ, ভাঙ্গনের স্থায়ী সমাধানের দাবিতে গ্রামপঞ্চায়েতের সামনে বিক্ষোভ ভূতনিতে

জেলা

মালদহে বর্ষাকালে বন্যা ও ভাঙ্গন প্রতি বছরের ঘটনা। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বন্যা ও ভাঙ্গনে এবছর রতুয়া-১ মহানন্দাটোলা, বিলাইমারী এবং মানিকচক ব্লকের ভুতনি চর এলাকার কয়েক লক্ষ মানুষ ভীষণভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বিগত কয়েক বছর এইসব এলাকায় বন্যা ও ভাঙ্গন রোধে কোন কাজ হয়নি বললেই চলে। বিশেষতঃ শুখা মরশুমে। ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সাথে দেখা করতে এলাকায় গিয়ে বানভাসি ও ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষদের সাথে দেখা করে কথা বলেন সিপিআই(এম)'র রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব। ছিলেন মীনাক্ষী মুখার্জী, সুমিত দে সহ অন্যান্যরা। পরবর্তীতে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও মুখ্যসচিব আলাদাভাবে। তাঁরা ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় না গিয়ে আকাশ পথে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী মথুরাপুর এ একটি সভা করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও যাদের বাড়ী ঘরের ক্ষতি হয়েছে তাদের আর্থিক সহায়তা দেন। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের যে তালিকার কথা বলা হয়েছে তা ঘিরে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বন্যা রোধে অবিলম্বে লকগেট নির্মাণ, যে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তার তালিকা  পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েত  অফিসে প্রকাশ্যে টাঙানো, যারা আর্থিক সহায়তা করেছেন পেয়েছেন তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়া বন্ধ করা, হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরিষেবা চালু করা, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা দ্রুত পুনঃনির্মাণ, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জমিও আবাস দেওয়া সহ ভুতনিতে বন্যা ও ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী সমাধানের কাজ দ্রুত শুরু করার দাবিকে  সামনে রেখে বুধবার দক্ষিণ চন্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে বিক্ষিভ দেখান এলাকার মানুষ। 
এদিন আগাম জানানো সত্বেও বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে অফিসে পাওয়া যায়নি। তাই, স্মারকলিপি নেওয়ার কেউ না থাকায় তার অফিসের দেওয়ালে সেঁটে দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন দেবজ্যোতি সিনহা, রত্না ভট্টাচার্য, আমিরুল হক, দেবেন মন্ডল, কামাল সেখ, সঞ্জয় সাহা। তাঁরা বিজেপি প্রধানের পালিয়ে যাওয়ার বিষয় উল্লেখ করে বলেন এভাবে পালিয়ে যাওয়া প্রমাণ করছে গোটা বিষয়টাতে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে।

Comments :0

Login to leave a comment