প্রাথমিকে ৩২ হাজারের চাকরি বাতিলের মামলা গ্রহণ করলো সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে হবে মামলার শুনানি।
প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে মামলা হয় হাইকোর্টে। আদালত ৩২ হাজারের চাকরি বহাল রাখার নির্দেশ দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায় বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীরা। সেই মামলা গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আগস্ট মাসে মামলার শুনানি হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল, ৩২ হাজার শিক্ষকের সকলেই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তা তদন্তে প্রমাণ করা যায়নি। এছাড়া আদালতের যুক্তি ছিল কয়েকজনের দুর্নীতির জন্য গোটা প্যানেল বাতিল করা যায় না। তার পরেই সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন বঞ্চিতেরা।
প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলির বেঞ্চ ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল। ডিভিসন বেঞ্চে পর্ষদ গেলেও সেই রায়েই বহাল ছিল। এর পরে সরকার, পর্ষদ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। সেখানেই রায়ে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। এর পরে মামলা ফের ঘুরে আসে কলকাতা হাই কোর্টে বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি ঋতব্রতকুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চে।
অভিযোগ ২০১৪ সালে যেই টেট পরীক্ষা হয় সেখানে ১ লক্ষ ২৪ হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। কত নম্বর পেয়ে তারা পাশ করেছেন, তার কোনও তথ্য পর্ষদের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। ২০১৭ থেকে শুরু হয় নিয়োগ। প্রথমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১১,০০০ এবং তার পর প্রশিক্ষণহীন প্রায় ৩২,০০০ প্রার্থী নিযুক্ত হন প্রাথমিক শিক্ষক হিসাবে।
মামলাকারিদের অভিযোগ কোনও প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়নি। শিক্ষা পর্ষদ সেই তালিকা প্রথম প্রকাশ করে ২০২২-এর নভেম্বরে। সেই তালিকা নিয়ে অভিযোগ করেন পরীক্ষার্থীরা। টাকার বিনিময় চাকরি বিক্রি করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে।
Comments :0