নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হতেই কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করলেন এক প্রৌঢ়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে ধূপগুড়ি শহর এলাকায়। মৃত ব্যক্তির বয়স ৫৮ বছর। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবেশী এক নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় নয় মাস আগে ধূপগুড়ি শহর এলাকার বাসিন্দা ওই প্রৌঢ়ের বিরুদ্ধে প্রতিবেশী পনেরো বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। নির্যাতিতা কিশোরীর পরিবার টাকা দিয়ে আপস করতে অস্বীকার করে। এর মধ্যেই ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এরপরই গত সপ্তাহে নির্যাতিতা কিশোরীর মা ধূপগুড়ি থানায় প্রতিবেশী ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্ত প্রৌঢ় বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন। অভিযোগ দায়ের হওয়ার ঠিক পরের দিনই সেখানে তিনি কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। প্রৌঢ়কে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে, ময়নাতদন্তের পর প্রৌঢ়ের মৃতদেহ এলাকায় ফিরিয়ে আনা হলে পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। উত্তেজনা এড়াতে শেষ পর্যন্ত দেহ অন্যত্র নিয়ে গিয়ে সমাধিস্থ করতে বাধ্য হয় পরিবার। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ধূপগুড়ি থানার পুলিশের পাশাপাশি এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয়।
Comments :0