যে কোনও কায়দায় ‘সংসদ চলো’ যাত্রাকে স্তব্ধ করতে নামছে দিল্লি পুলিশ। ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কার আশঙ্কা বড় মাত্রায় ধরপাকড় চালাতে পারে পুলিশ।
সোনাম ওয়াঙচুককে জোর করে তুলে নিয়ে গেলেও যন্তর মন্তরে চলছে অনশন। ২১ অনশনকারী রয়েছেন মঞ্চে।
রবিবার দিল্লি হাইকোর্ট বলেছে ‘সোনাম ওয়াঙচুককে হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত দিল্লি পুলিশের একতরফা পদক্ষেপ নয়’। সোনামের স্ত্রী গীতাঞ্জলী জে আঙমো সফদরজঙ হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে তাঁকে স্থানান্তরিত করতে চাইছেন।
আগামী সোমবার, ২০ জুলাই, যন্তর মন্তর থেকে ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। কাল, সোমবারই, শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। এসএফআই’র মতো একাধিক ছাত্র সংগঠন এই কর্মসূচিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। দেশের পরীক্ষার দায়িত্ব এনটিএ নামে একটি সংস্থার হাতে তুলে দিয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। তারপর থেকে একের পর এক পরীক্ষায় চরম বিপর্যয় দেখা যাচ্ছে। এমনকি কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক পরিচালিত সিবিএসই’র দ্বাদশের ফলপ্রকাশ ঘিরে একের পর এক অসঙ্গতি প্রকাশ হয়ে পড়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরানোর দাবি তুলছেন ছাত্ররা। মোদী সরকার অনড়। বরং পুলিশ দিয়ে প্রতিবাদ ভাঙতে সক্রিয়।
দিল্লি পুলিশ সংবাদমাধ্যমকে বলেছে যে সোমবারের কর্মসূচি বেআইনি। আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি। বিক্ষোভ মিছিল আটকাতে জলকামানের মতো ব্যবস্থা তৈরি রাখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
রবিবার দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি মিনি পু্ষ্কর্ণ বলেছেন যে ওয়াঙচুকের স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছিল দেখে হাসপাতালে নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। চিকিৎসকরা ওয়াঙচুকের ওপর নজর রাখছেন। কেবল মুখে ওষুধ দিয়েছেন, তাকে জোর করে অনশন ভাঙা বলা যাচ্ছে না।
এদিকে গীতাঞ্জলী আঙমো বলেছেন, ‘‘কারও সম্মতি ছাড়া ইনট্রাভেনাস দেওয়া যায় না। পটাশিয়াম লেভেলের ক্ষেত্রে বেসরকারি ল্যাবরেটরি এবং হাসপাতালের তথ্যে অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে। আমরা তাঁকে অন্য হাসপাতালে সরিয়ে নিতে চাই।’’
CJP Parliament March
সংসদ অভিযান আটকাতে তৈরি হচ্ছে দিল্লি পুলিশ, চলছে অনশন
×
Comments :0