World Cup 2026

বিশ্বকাপে জার্মানির অনুশীলনে বিষধর সাপের আতঙ্ক

খেলা

বিশ্বকাপের আসরে শুধু খেলোয়াড়দের গোল এবং মাঠ নিয়েই আলোচনা হচ্ছে না, বিষাক্ত সাপের আতঙ্কের খবর সামনে আসছে। যে আতঙ্ক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী অনেক বড় দলকে রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। জার্মানির প্রশিক্ষণ শিবিরেও বিষধর সাপের আতঙ্ক। জার্মান ফুটবল দল বিষধর সাপের মুখোমুখি হয়। এই ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটে যখন জার্মান খেলোয়াড়রা তাদের নির্ধারিত প্রশিক্ষণ শিবিরে অনুশীলন করছিলেন। যদিও সাপটিকে সময়মতো দেখা যায় এবং জার্মান দলের কোনো খেলোয়াড় বা স্টাফ সদস্য আক্রান্ত হননি। প্রত্যেকেই অল্পের জন্য সাপের আক্রমণ থেকে রক্ষা পান। কিন্তু এই ঘটনা নিঃসন্দেহে খেলোয়াড়দের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।
জার্মান অধিনায়ক জশুয়া কিমিখ নিজেই জার্মান দলের সাথে এই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সম্পূর্ণ ঘটনাটি সংবাদ মাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছেন। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘সাধারণত, যখন আমরা কোনো বড় টুর্নামেন্টে অংশ নিই, তখন আমাদের পুরো মনোযোগ থাকে প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে রণকৌশল তৈরি করা, নিজেদের শক্তিকে আরও বাড়ানো এবং দুর্বলতাগুলো শুধরে নেওয়ার ওপর। কিন্তু এখানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ফুটবলের পাশাপাশি, মাঠের সবুজ ঘাসের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই অদৃশ্য আতঙ্কে বিরুদ্ধেও আমাদের ক্রমাগত সতর্ক থাকতে হচ্ছে।’’ তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ শিবিরের মাঠে তিনি সাপটিকে দেখতে পেয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের খবর দেন। তিনি জানতে পারেন সাপটি এতটাই বিষাক্ত ছিল যে, এটি কোনো খেলোয়াড়কে কামড়ালে তাকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন হতো। অধিনায়কের মতে, যদিও সাপের বিষ তাৎক্ষণিক মৃত্যু রোধ করতে পারত।
বিষধর সাপের ভয় শুধু জার্মান শিবিরেই সীমাবদ্ধ নয়। টুর্নামেন্ট চলাকালীন এই সাপের সমস্যা নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ডের মতো দলগুলোর জন্যও গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন সুইস ফুটবল দলের ব্যবস্থাপনা এবং খেলোয়াড়দের জন্য কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। তাদের স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই যেন তারা তাদের প্রধান প্রশিক্ষণ শিবিরের বাইরে না যায়। কারণ তাদের বেস ক্যাম্প যে এলাকায় অবস্থিত সেখানে বিষধর সাপ রয়েছে। বল সীমানার বাইরে চলে গেলেও খেলোয়াড়দের কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

Comments :0

Login to leave a comment