বিএলও-রা ব্যস্ত শুনানিতে। পৌঁছায়নি সফটওয়ার। ‘আনম্যাপড’ এবং ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সি’ রয়েছে এমন তালিকা সময়ে প্রকাশ করা যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় জানাচ্ছে সিইও দপ্তর।
সুপ্রিম কোর্ট গত ১৯ জানুয়ারি নির্দেশ দিয়েছে ব্লক এবং পঞ্চায়েত স্তরে টাঙিয়ে দিতে হবে ‘আনম্যাপড’ এবং ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সি’ ধরা হচ্ছে এমন নামের তালিকা।
শনিবার সিইও দপ্তরের সূত্র উল্লেখ করে সংবাদসংস্থা জানাচ্ছে, সফটওয়ার পৌঁছে গেলেও আদালতের নির্দেশ মতো শনিবারের মধ্যে এই তালিকা প্রকাশ করা যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
‘আনম্যাপড’ এবং ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সি’-র ব্যাখ্যা সঠিকভাবে নির্বাচন কমিশন না দেওয়ায় ক্ষোভ রয়েছে রাজনৈতিক স্তরে। সিইও দপ্তরে এর আগে একাধিক চিঠি পাঠায় সিপিআই(এম)। এই দুই বিভাগে মোট প্রায় ১লোটি ২৬ লক্ষ নাম রয়েছে সিইও দপ্তরের কাছে। আদালতের নির্দেশ মতো তাকে নির্দিষ্ট এলাকায় নির্দিষ্ট নাম দিয়ে প্রকাশ করতে হবে।
সংবাদসংস্থাকে সিইও দপ্তরের এক আধিকারিক বলেছেন, ‘‘আমাদের কাছে তালিকা রয়েছে। কিন্তু স্থানীয় স্তরে তাকে প্রয়োগ করতে হবে বিএলও-দের। কয়েক ঘন্টার মধ্যে সফটওয়ারে আপলোড করা, প্রিন্ট করা তারপর টাঙানোর যাবতীয় কাজ তাঁরা করবেন কী করে তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।
বারবারই এসআইআর প্রক্রিয়া নির্বাচন কমিশন এবং সিইও দপ্তরের প্রস্তুতির অভাব চোখে পড়েছে। বিএলও-দের ওপর প্রক্রিয়ার মাঝে মাঝে নতুন কাজের ভার চাপানো হয়েছে। ফলে বিএলও-দের অবস্থা শোচনীয়। সুপ্রিম কোর্টের নতুন নির্দেশ কার্যকর করার দায়ও চাপানো হচ্ছে বিএলও-দের ওপর।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গে শুনানি পর্বে নোটিশ পাঠানো হয়েছে যতজনকে তার মধ্যে ৩ লক্ষ হাজিরা দেননি। এর আগে এসআইআর’র গোড়ার পর্বে বিলি করা হয়েছিল ৭.৬২ কোটি ফর্ম। খসড়া তালিকায় নাম বাদ পড়ে ৫৮ লক্ষের। এরপর শুনানি প্রক্রিয়ায় ‘আনম্যাপডঋ এবং ‘লজিক্যাল ডিক্রেপান্সি’ বলে ডেকে পাঠানো হচ্ছে।
সিপিআই(এম) বলেছে প্রক্রিয়ায় গুরুতর অসঙ্গতি রয়েছে। মুর্শিদাবাদ, মালদহের মতো বিভিন্বন এলাকায় আনম্যাপড বা ২০০২-র তালিকায় সংযোগ নেই এমন সংখ্যা কম হলেও ভুরি ভুরি নোটিশ যাচ্ছে হিয়ারিংয়ের। নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে সংখ্যালঘু, প্রান্তিক, উদ্বাস্তু মানুষকে বাদ দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।
এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪ জন অতিরিক্ত সিনিয়র মাইক্রো অবসার্ভার নিয়োগ করেছে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে। রাজ্যে বহু জায়গায় শুনানির পর্বে চলছে বিক্ষোভ।
SIR Bengal CEO
‘আনম্যাপড’, ‘লজিক্যাল ডিক্রেপান্সি’ তালিকা বেরনো নিয়ে সংশয়
×
Comments :0